রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এইচএসসির ফল আগামী বৃহস্পতিবার বাঁশ ফারুকের খুঁটির জোর কোথায়? ধর্ষণ, সরকারি জমি দখল ও মাদক বানিজ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ!(অনুসন্ধানী পর্ব ১) তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে : সাস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি আসিফ মাহমুদের বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের উন্নয়নে জাকির হোসেনের ৩৩ বছরের অবদান সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় আনতে চায়: অর্থমন্ত্রী সরকারের ভুলের দায় বিরোধী দল নেবে কেন: মৌলভীবাজারে ডা. শফিকুর রহমান ‘তাদের টার্গেট মিস হয়ে গেছে’, গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন আসিফ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর, মনোনয়ন জমার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর

গোপনে ভিডিও ধারণ ও ধর্ষণের অভিযোগে বিটিআরসির কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৬৫ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক তৈরির পর এক নারীকে ধর্ষণ এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগে বিটিআরসির উপপরিচালক সনজিব কুমার সিংহকে গ্রেপ্তার করেছে ধানমন্ডি থানার পুলিশ। সনজিবের মুঠোফোন থেকে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৭ আগস্ট) ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার ধানমন্ডি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) উপপরিচালক সনজিব কুমার সিংহের বিরুদ্ধে মামলা করেন এক নারী। ওই দিনই সনজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তাকে জেলগেটে একদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালে সনজিবের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নারীর। তখন সনজিব তার নাম-পরিচয় গোপন করেন। পরে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু সনজিবের প্রকৃত পরিচয় জানার পর তিনি আর সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাননি। তবে সনজিব তাকে বিয়ের আশ্বাস দেন। ২০১৪ সালে সনজিব কৌশলে তাকে একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ছয় থেকে সাত বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করেন। এসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন সনজিব। এগুলো পরিবারের সদস্যদের মুঠোফোনে পাঠিয়েও প্রতারণা করেন।

ভুক্তভোগী নারী এজাহারে বলেন, ১৫ আগস্ট সনজিব আবারও তার ধানমন্ডির বাসায় ডেকে এনে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় তাকে শারীরিক নির্যাতন করে বাসায় আটকে রাখেন। পরে সনজিবের এক বন্ধু গিয়ে তার অবস্থা দেখে কী হয়েছে, তা জানতে চান। বিস্তারিত জানানোর পর সনজিবের বন্ধু তাকে বাসায় দিয়ে যান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর