রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কুমড়াকান্দি এলাকায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধে একজন নারী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে আহত নারীর দেবর ভুক্তভোগী মোঃ সামসুর রহমান (৩৬) থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, কুমড়াকান্দি গ্রামের মোঃ ওসমান খানের ছেলে (১) মোঃ শাকিল খান (২৫), মৃত শুকুর খানের ছেলে (২) মোঃ ওসমান খান (৪৬), মোঃ ওসমান খানের স্ত্রী (৩) মোছাঃ আলেয়া বেগম (৪৫), মেয়ে (৪) মোছাঃ টুম্পা আক্তার (২২), (৫) মোছাঃ সোনিয়া আক্তার (১৯)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পূর্ব শত্রুতার জেরে ভুক্তভোগী ও বিবাদীদের সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে আনুমানিক বেলন ১১ টার দিকে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিরোধের এক পর্যায়ে বিবাদীগণ ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করে। গালিগালাজের এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীর বড় ভাবী রেজিয়া বেগম (৫০) ঘর থেকে বেরিয়ে উঠানে গিয়ে গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় বিবাদীরা তাকে এলোপাথাড়ি চরথাপ্পর মারে। তার ডাক চিৎকারে বাদীর চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী রওশনারা বেগম (৪০) ঠেকাতে গেলে ১ নং বিবাদী মোঃ শাকিল খান তার হাতে থাকা বাটাম দিয়ে তাকে আক্রমন করার উদ্দেশ্যে মাথার পেছনে আঘাত করে এবং বিবাদী মোঃ ওসমান খানও তাকে আঘাত করে। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ভর্তি করা হয়।
অভিযোগের বাদী মোঃ সামসুর রহমান বলেন, বিবাদীরা আমাদের প্রতিবেশী। বিবাদী ও আমার বাড়ি পাশাপাশি। তাদের সাথে পূর্ব থেকেই বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছে। আজ হঠাৎ তারা আমাদের সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে তছনছ করে এবং আমাদের বাড়িতে এসে গালিগালাজ শুরু করে। এসময় আমার বড় ভাবী ঘর থেকে বের হয়ে গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় তারা তাকে মারধর করতে শুরু করে। আমার ভাবীর ডাক চিৎকারে আমার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী ঠেকাতে আসলে বিবাদীরা তাকেও কাঠের বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে। আমি তাদের চিৎকার শুনে এগিয়ে গিয়ে তাকে আশেপাশের লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। তার মাথায় দুইটা সেলাই দিতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।