বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

জনগণ নির্ধারণ করবে কে আগামীতে ক্ষমতায় আসবে: কৃষিমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১১৬ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : আগামীতে কে ক্ষমতায় আসবে তা জনগণ নির্ধারণ করবে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, এই সরকারের উন্নয়ন সারা পৃথিবীতে প্রসংশিত, নন্দিত। জনগণ শেখ হাসিনাকে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবে। তিনি বলেন, আর জনগণ যদি আমাদের প্রত্যাখ্যান করে, ভালো আমরা স্যালুট দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাবো। এর ব্যত্যয় হবে না। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গাবতলীতে ফুলের পাইকারি বাজার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ফুল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের যে দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে- এর ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে আছি। উন্নয়নের মহাসড়কে আমাদের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে হবে। তার জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থীতিশীলতা প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন, আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে, অবরোধ করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। এই সরকারের ভিত্তি জনগণ।

আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে, তৃণমূলে। মাটির অনেক গভীরে। ইচ্ছে করলেই সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের পতন ঘটানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আসতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। জনগণ নির্ধারণ করবে কে আগামীতে ক্ষমতায় আসবে। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের কম উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিডিয়া ব্যস্ত থাকে ভূমিদস্যুদের নিয়ে। তারাই পত্রিকার মালিক। তারা আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের জন্য কলাম রেখেছে। নেতাদের কলাম, তারা কিছু বলুক না বলুক খালি একটা অনুষ্ঠানে হাজির হলে, নেতার কলাম হিসেবে একটা সংবাদ ছাপা হবে। একটা নির্দিষ্ট জায়গা আছে পত্রিকার পাতায়, ওইখানে তাদের কলাম প্রতিদিনই ছাপা হয়। রাজনৈতিক নেতা সে যা বলে তাও ছাপা হয়, যা বলে নাই তাও ছাপা হয়। সুন্দর করে লিখে দেয়। এলসি সমস্যায় অনেক চাষি বিদেশ থেকে চারা আনতে পারেননি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে এলসি করার ডলার পাওয়া যায় না। ডলার যারা চুরি করে তাদের প্রতিরোধ করা আমার দায়িত্ব। এখানে আমার কিছুটা ব্যর্থতা থাকতে পারে। মন্ত্রী হিসেবে আমি দায়িত্ব এড়াতে পারি না।

আপনারা জানেন বিরাট চক্র কাজ করে। সারা পৃথিবীতে মোকাবিলা করা কঠিন। প্রধানমন্ত্রী নিরলস পরিশ্রম করে, কঠোর পরিশ্রম করেন অর্থনীতিকে যারা ধ্বংস করতে চায়, লুটে খায় তাদের মোকাবিলা করার জন্য। কৃষিক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনা আছে জানিয়ে ব্যবসায়ীদের তিনি বলেন, এই মার্কেট অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। আগে ফুলের এমন চাষাবাদ ছিল না। ফুলের এত ব্যবহার ছিল না। এখন ফুলের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মার্কেটে ফুল কাটিং, ওয়াশিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফুল এখানে প্রক্রিয়াকরণ করে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে পৌঁছানো হবে। মার্কেটটির আয়তন ৫২ হাজার বর্গফুট। থাকবে ২৫০ থেকে ২৬০ দোকান। যারা রাজধানীর শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ে পাইকারি ফুল বিক্রি করেন তাদের এ মার্কেটে স্থানান্তর করা হবে। এতে করে পাইকারি বিক্রেতারা অনুকূল পরিবেশে ফুল বিক্রি করতে পারবেন ও তাদের প্রক্রিয়াকরণ সময় নষ্ট কম হবে। কৃষকরাও সরাসরি ফুল বিক্রি করতে পারবেন। তাতে উভয় পক্ষ লাভবান হবে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ফুল বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে সড়কের উন্নয়ন হয়েছে। যশোর থেকে ফুল তুলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকাতে চলে আসতে পারছে। সরকার সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কৃষিকে যেমন আধুনিক ব্যবস্থায় রূপান্তর ও বহুমুখী করেছে। অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে তা বিপণনের ব্যবস্থাও করেছে। কৃষকরা যাতে এ সুবিধা কাজে লাগাতে পারে। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত মার্কেট করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ফুল বাজারজাতকরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে। আজ যে মার্কেটের উদ্বোধন হলো- পর্যায়ক্রমে এর সুবিধা আরও বাড়ানো হবে।

দেশে ডলার সংকটের মূলে এক শ্রেণির অসাধু কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এলসি সমস্যায় অনেক চাষি বিদেশ থেকে ফুলের চারা আনতে পারেননি। যারা ডলার চুরি করে তাদের প্রতিরোধ করা আমারও দায়িত্ব। এখানে আমার কিছুটা ব্যর্থতা থাকতে পারে। মন্ত্রী হিসেবে আমি দায়িত্ব এড়াতে পারি না। আপনারা জানেন বিরাট চক্র কাজ করে। এ চক্র সারা পৃথিবীতে সক্রিয়। তাদের মোকাবিলা করা কঠিন। প্রধানমন্ত্রী নিরলস পরিশ্রম করে, কঠোর পরিশ্রম করেন অর্থনীতিকে যারা ধ্বংস করতে চায়, লুটে খায় তাদের মোকাবিলা করার জন্য। আবদুর রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষিক্ষেত্রে অনেক সম্ভাবনা আছে।

এই মার্কেট অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। আগে ফুলের এমন চাষাবাদ ছিল না। জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ফুলের বহুমুখী ব্যবহার। বিদেশেও ফুল রপ্তানি করা হচ্ছে। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে আছি। আমাদের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে হবে। তার জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন সারা পৃথিবী প্রশংসিত, নন্দিত। জনগণ শেখ হাসিনাকে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবে। আর জনগণ যদি আমাদের প্রত্যাখ্যান করে, ভালো। আমরা স্যালুট দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাবো। এর ব্যত্যয় হবে না। বিরোধী দল জ্বালা-পোড়াও সন্ত্রাস করে সরকারের পতন চায়। আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে, অবরোধ করে সরকারের পতন ঘটান যাবে না। এই সরকারের ভিত্তি জনগণ। আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে, তৃণমূলে। মাটির অনেক গভীরে।

ইচ্ছে করলেই সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের পতন ঘটানো যাবে না। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম পাটোয়ারীর ও ফুল ব্যবসায়ী নেতা বাবুল প্রসাদ। ফুল চাষি, পাইকারি ফুল বিক্রেতা ও মার্কেট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও উপস্থিত ছিলেন এ অনুষ্ঠানে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর