বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

‘তাবুর নগরী’ মিনা যেভাবে ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে

ধর্ম ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ১১৯ টাইম ভিউ

মিনায় আগমনের মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে হজযাত্রীদের মিনায় আগমন শুরু হয়। ইতিমধ্যে হাজিদের প্রায় ১২ হাজার বাস করে মিনায় নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল শনিবার ফজর নামাজ পড়ে তাঁরা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

পবিত্র মক্কা নগরীর পূর্ব দিকে পাহাড়বেষ্টিত একটি এলাকা মিনা। মক্কা ও মুজদালিফায় যাওয়ার পথে এর অবস্থান। পবিত্র মসজিদুল হারাম থেকে ৬ কিলোমিটার দূরত্বে এটি অবস্থিত। এর উত্তর-পূর্বে ‘জামরায়ে আকবা’ এবং দক্ষিণ-পূর্বে ‘ওয়াদিয়ে মাহসার’ রয়েছে।

শরয়িভাবে এটি ১৬.৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

মিনায় লাখ লাখ হাজির অবস্থানের জন্য বিভিন্ন কম্পানি, সংস্থা ও সরকারি সহযোগিতায় তাঁবু স্থাপন করা হয়। তাঁবু সাদা রঙের হওয়ায় চারদিক শুভ্রতায় ছেয়ে যায়। তাই অনেকে মিনাকে ‘সাদা তাঁবুর নগরী’ও বলে।

রাসুল (সা.) ও আনসারিদের মধ্যে প্রথম উকবা ও দ্বিতীয় উকবার বাইআত বা শপথ মিনাতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখান থেকেই রাসুল (সা.)-এর মদিনায় হিজরতের কার্যক্রম শুরু হয়।

মিনা হজের গুরুত্বপূর্ণ বিধি-বিধান পালনের স্থান হিসেবে সুপরিচিত। হজের কার্যক্রম মূলত মিনা থেকেই শুরু। গোসল করে ইহরাম পরে জোহরের আগেই হাজিরা মিনায় আসতে থাকে।

সেখানেই রাত যাপন করে।
১০ তারিখ ঈদুল আজহার দিনে হাজিরা মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় আসে। সেদিন জামরায়ে আকবায় পাথর নিক্ষেপ করে হাজিরা ‘হাদি’ কোরবানি করে। চুল কেটে বা ছোট করে প্রাথমিকভাবে হালাল হয়। অতঃপর হারামে ‘তাওয়াফে ইফাজা’ আদায় করে আইয়ামুত তাশরিকের (১০, ১১, ১২ তারিখ) দিনগুলোতে মিনায় থাকে। এ সময়ে ধারাবাহিকভাবে জামরায়ে সুগরা, উসতা ও কুবরায় সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করে।

মিনা ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এখানে ইবরাহিম (আ.) নিজ পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি দেওয়ার জন্য এনেছিলেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন ইসমাইল বুদ্ধিমান হলো ইবরাহিম তাকে বলল, স্বপ্নে দেখি তোমাকে আমি জবাই করছি, এখন তোমার কী মত? সে বলল, হে পিতা, আপনার রবের আদেশ আপনি পালন করুন। আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। তারা উভয়ে আল্লাহর হুকুম পালন করে। ইসমাইলকে তার পিতা উপুড় করে যখন শোয়ায় তখন আমি ডাক দিই, হে ইবরাহিম, তুমি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছ…।’ (সুরা সফফাত, আয়াত : ১০৩)

‘মিনা’ নামটি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। অনেকের মতে, সেখানে অধিক পরিমাণে জবাই করা হয়, তাই এ স্থানকে মিনা বলা হয়। কারো কারো মতে, আরবরা কোনো স্থানে বেশি মানুষের সমাগম হলে সেটিকে ‘মিনা’ বলে অভিহিত করে। মোট কথা হলো, যেহেতু এ স্থানে অধিক পরিমাণে কোরবানির জন্তু জবাই করা হয় এবং লাখ লাখ হাজি অবস্থান করে, তাই এটি ‘মিনা’ নামে পরিচিত।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর