শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ঢাকার দ্রুত সহযোগিতা চায় ভারত আট জেলায় ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪ কিংবা ৫-এ থাকতে চায় বাংলাদেশ বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন সরকার শিক্ষকতার মানোন্নয়নে কাজ করতে বদ্ধপরিকর: শিক্ষামন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়ে গেছে : নাহিদ ইসলাম অবশেষে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, শেষ মমতার দীর্ঘ শাসন ঈদ ঘিরে অপরাধ প্রতিরোধে সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি আধিপত্য ডুবছে হরমুজেই!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা বিলুপ্ত ঘোষণা, মমতার ১৫ বছরের শাসনের অবসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ১২ টাইম ভিউ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা বিলুপ্ত ঘোষণা, মমতার ১৫ বছরের শাসনের অবসান

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা এবং রাজ্য মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছরের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটলো।ভারতের সংবিধানের ১৭৪(২)(বি) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাজ্যপাল আর. এন. রবি বিধানসভা ভেঙে দেন। খবর এনডিটিভির।

বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্যপাল আর. এন. রবি বলেন, ‘ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর দফার (বি) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ৭ মে, ২০২৬ থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করছি। কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংস থেকে জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুশ্যন্ত নারিয়ালা।

এই সিদ্ধান্তের কয়েক দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা নির্বাচনে হারার পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি দাবি করেছিলেন, ফলাফল তার বিরুদ্ধে গেলেও তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন না।

মঙ্গলবার (৫ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করছি না।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, ব্যাপক অনিয়ম, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং সহিংসতার মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘১০০টি আসন চুরি করা হয়েছে’। এই নির্বাচনকে তিনি ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ বলেও অভিহিত করেন। মমতা নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ ও গণনার সময় তারা নিরপেক্ষ ছিল না।

২৯৪ আসনের বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ৮০টি আসন পায়, অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২০৭ আসন নিয়ে সরকার গঠন করে। মমতা তাঁর নিজ আসন ভবানীপুরেও পরাজিত হন। তিনি অভিযোগ করেন, লক্ষাধিক ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং দলীয় কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। এসব অনিয়ম তদন্তে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি। নির্বাচনী ফলাফলকে তিনি “গণতন্ত্রের জন্য কালো দিন” বলে আখ্যায়িত করেন এবং দাবি করেন, দল ঐক্যবদ্ধ আছে এবং প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর