টানা দুই দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
এদিন রাত ৮টায় বড়পুকুরিয়া ৫২৫ কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। রাত ৮টা থেকে প্রথম ইউনিট থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হচ্ছে। এর জন্য দৈনিক ৭শ’ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন পড়বে।
প্রথম ইউনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসার কারণে গত ২২ এপ্রিল রাত ১০টায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে আসায় পার্বতীপুর উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন কিংবা লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে আসবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট দ্বিতীয় ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ। বন্ধ থাকা দ্বিতীয় ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও ৬০-৬৫ মেগাওয়াট উৎপাদন হতো।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া ৫২৫ কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদিত ৫৫-৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিড সরবরাহ করা হচ্ছে। ইউনিট চালু হওয়ায় এ অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেকটা কমবে আশা করা হচ্ছে।