মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম জরুরি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদালতের সাক্ষ্যতে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন রামিসার মা-বাবা শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে সম্পাদকদের নতুন সংগঠন চীনে প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা বিদ্যুতের দাম বাড়ছে কি না জানা যাবে বুধবার সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হলেন আলি আকবর খান হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত স্ত্রী ঋণখেলাপি হলেও খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান হতে বাধা নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ

বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ৬ টাইম ভিউ
বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে তার নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী  বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির সামনে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে নেওয়া হলে বাবা আজাহার আলী, মা ফাতেমা খানম এবং স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

জানাজা শেষে স্থানীয়রা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।এর আগে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনা হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হলে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এর আগে সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তোফায়েল আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পক্ষাঘাতসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তিনি সিসিইউ ও পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজনীতির বাইরে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন একজন জনবান্ধব মানুষ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। ভোলার উন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তারা আরও বলেন, তার মৃত্যু ভোলাবাসীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। জানাজা শেষে কবরে একমুঠো মাটি দিতে পেরে তারা নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপি ছিলেন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে বাণিজ্যমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর