বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

বিয়েতে ১০০ অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স প্রস্তাব এমপির

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ১১৯ টাইম ভিউ
বিয়েতে ১০০ অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স প্রস্তাব এমপির

বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি সংখ্যার ওপর ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি বলেছেন, ‘বিয়ের অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত ১০০ অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি সরকারকে ১০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।’

সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি আরও বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজে অত্যন্ত মিতব্যয়ী জীবনযাপন করেন। তিনি মাত্র ১৫০ টাকার মধ্যে লাঞ্চ করেন এবং তার সঙ্গে দেখা করতে আসা অতিথিদেরও একই খরচে আপ্যায়ন করান। এই মিতব্যয়িতার চর্চা সামাজিক অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বিয়েশাদিতে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।

শাহাদাত হোসেন সেলিম বললেন, ‘একটি বিয়েতে যে পরিমাণ অর্থ অপচয় হয়, তা কল্পনাতীত। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে নাচের ক্যালিগ্রাফি শেখাতে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এ ছাড়া বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গান-বাদ্যে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ও আপ্যায়নে যে ব্যয় হয়, তার অর্ধেকের বেশিই অপচয়।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতে একটি অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, যেখানে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে কর আরোপের বিধান ছিল। সেই আইনের আদলে তিনি নতুন প্রস্তাব দেন যে ১০০ জন অতিথির বাইরে প্রতিজন অতিরিক্ত অতিথির জন্য সরকারকে ১০০০ টাকা হারে কর দিতে হবে।

তিনি দাবি করেন, এই ধরনের প্রদর্শনী ও অপচয় বন্ধ করা গেলে এক দিনের মধ্যেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে চট্টগ্রামে, বিয়ের অনুষ্ঠান সাত থেকে দশ দিন পর্যন্ত গড়ায় বলে উল্লেখ করেন তিনি, যা কনের পরিবারের জন্য আর্থিক দিক থেকে অত্যন্ত কষ্টদায়ক বলে মন্তব্য করেন।

এই প্রবণতা থেকে বের হয়ে এসে অপচয় রোধ করার আহ্বান জানান তিনি। তার বিশ্বাস, এই অপচয় রোধ করতে পারলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর