বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোনায় গ্রামীণ ব্যাংক অফিসে অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেল মোটরসাইকেল ও নথিপত্র ছিনতাইয়ের সতর্কবার্তায় এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটের জয়পুরে জরুরি অবতরণ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী ভাবে বাতিল হচ্ছে ওয়ার্ক পারমিটের স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯২০ হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩২৭ ড. মুহাম্মদ ইউনূস সুস্থ আছেন, জানালেন সফরসঙ্গী তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী জামিন পেয়ে আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আইভীর تجربة مستخدم: لماذا يجب عليك تنزيل تطبيق 1xbet الآن؟

রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট !

হাবিবুর রহমান মাসুদ, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৩ টাইম ভিউ
রিল পেঁচানো স্মৃতির ইতিকথা, প্রযুক্তির বিবর্তনে আজ জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে ট্যাপ রেকর্টারের ক্যাসেট !

প্রযুক্তির নির্মম গ্রাসে আমাদের সংস্কৃতি ও বিনোদন জগৎ থেকে একে একে হারিয়ে যাচ্ছে বহু পুরনো ঐতিহ্য। নব্বইয়ের দশক কিংবা তার আগের প্রজন্মের কাছে এক আবেগের নাম ছিল অডিও ক্যাসেট। টেপরেকর্ডারের বোতাম টিপে গান শোনার সেই দিনগুলো আজ কেবলই স্মৃতি। আধুনিক স্ট্রিমিং ও পেন্টাবাইট মেমরির যুগে সেই চিরচেনা অডিও ক্যাসেট আজ পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে।

নস্টালজিয়ায় মোড়ানো একটি সনি এমসি-৬০ (Sony MC-60) মাইক্রোক্যাসেট। একসময়ের গান শোনার বা গোপনে প্রয়োজনীয় তথ্য, সংবাদ সংগ্রহ, মিটিং কিংবা ইন্টারভিউ রেকর্ড করার এই যন্ত্রটি আজ প্রযুক্তির বিবর্তনে জাদুঘরে ঠাঁই নিচ্ছে,
সাম্প্রতিক সময়ে সংগৃহীত একটি স্বচ্ছ লাল রঙের “Soundtech Special” ব্রান্ডের ৭০ মিনিটের এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাসেটটি যেন সেই হারিয়ে যাওয়া সোনালী অধ্যায়েরই এক জীবন্ত দলিল।

একসময় এই ছোট ফিতেগুলোর ভেতরেই বন্দি থাকত হাজারো গান, প্রেমের চিরকুট বা প্রিয় শিল্পীর কণ্ঠস্বর। টেপের ফিতে জট লেগে গেলে তা পেন্সিল দিয়ে ঘুরিয়ে ঠিক করার সেই নিখাদ ব্যস্ততা আজ ম্লান। যুগের হাওয়া আর ডিজিটালাইজেশনের কল্যাণে পকেট আকৃতির এমপি থ্রি প্লেয়ার বা মুঠোফোনের এক ক্লিকেই এখন সব গান পাওয়া যায়। ফলে হারিয়ে গেছে টেপরেকর্ডারের সেই ঘড়ঘড় শব্দ আর ক্যাসেটের টেপ বদলানোর রোমাঞ্চ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের বিবর্তনে পুরনো এই মাধ্যমগুলো এখন জাদুঘর কিংবা সংগ্রাহকদের ড্রয়িংরুমের শো-পিস ছাড়া আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। নতুন প্রজন্ম হয়তো জানেই না কীভাবে একটি ক্যাসেট টেপরেকর্ডারে ঢুকিয়ে গান শুনতে হয়।
পুরনো এই ক্যাসেটটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য অগ্রগতির কথা, যার ভিড়ে হারিয়ে গেছে আমাদের শৈশব ও কৈশোরের মধুর কিছু মুহূর্ত।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর