বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন মারা গেছেন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১০ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ও মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেন আর নেই।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সৈয়দ আবুল হোসেন ১৯৫১ সালে মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

তিনি স্ত্রী খাজা নার্গিস, দুই মেয়ে সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন এবং সৈয়দা ইফফাত হোসেনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি পেশায় একজন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী। আবুল হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর তিনি সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন।

২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করে সরকার। কিন্তু বছরের শেষ দিকেই তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি যোগাযোগ মন্ত্রীর পদ থেকে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন।

৫ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কানাডার আদালত জানায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের যে অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর