মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুপারিশ জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান; মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর মানবসেবায় ৭ বার রক্ত দিয়েছেন জাইমা রহমান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে ৪ মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধ বন্ধে খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা, দোহা ছাড়লেন ইরানি প্রতিনিধিরা ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আজ রাতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে

ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হল রাশিয়া

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৩৯ টাইম ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। এক বছরে লক্ষ লক্ষ ইউক্রেনীয় দেশছাড়া। প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য ইউক্রেনীয়। রাশিয়ার দখলে চলে গিয়েছে ইউক্রেনের অনেক এলাকা। এ সব সত্ত্বেও, এ মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হল রাশিয়া। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের বিদেশ মন্ত্রী দিমিত্র কুলেবার কথায়, ১ এপ্রিল একটা ‘বাজে মশকরা’ করা হল!

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের অন্যতম রাশিয়া। স্থায়ী সদস্য হিসেবে গোটা বিশ্বে সামরিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে তারা, কোনও দেশে শান্তিবাহিনী নিয়োগ করতে পারে, কোনও দেশ বা কোনও ব্যক্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে, যুদ্ধাপরাধের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠাতে পারে। অথচ ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে রাশিয়ারই প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে। রাশিয়া আইসিসি-র সদস্য নয়। তাদের ঘোষণা, আইসিসি-কে তারা মানে না।

নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১৫টি সদস্য দেশের প্রত্যেকে এক মাসের জন্য সভাপতিত্ব করে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তারা দায়িত্ব নেয়। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ বার রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করেছিল। সে মাসেই তারা ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল। এখনও সেই যুদ্ধ চলছে।

ইউক্রেনের বিদেশ মন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা টুইট করেছেন, রাশিয়ার ১ এপ্রিল রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্ব পাওয়া একটা বাজে মশকরা। রাশিয়া জোর করে অনৈতিকভাবে ওই আসন দখল করেছে। ওরা ঔপনিবেশিক যুদ্ধ শুরুর পরিস্থিতি তৈরি করছে। শিশুদের অপহরণের জন্য ওদের নেতাকে যুদ্ধাপরাধী ঘোষণা করেছে আইসিসি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর