শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের শঙ্কা শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন মুখ খোলো মমতা জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার আইভীর মুক্তির পর বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানো সম্ভব : আইআরজিসি কমান্ডার চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

কোটা বাতিলের দাবিতে আজ সারা দেশে সড়ক অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৮১ টাইম ভিউ

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল এবং ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীদের একাংশ। দাবিতে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সরকারি চাকরি থেকে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আজ রবিবার সারাদেশে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বিকালে শাহবাগ মোড় থেকে অবরোধ তুলে নেয়ার আগে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিকাল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে হাজারো শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করে শাহবাগে গিয়ে অবস্থান নেন। রাজধানীর ব্যস্ততম এই মোড়টি প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম রবিবার সারাদেশে অবরোধ পালনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, দাবি আদায় না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। প্রয়োজনে হরতালের মতো কর্মসূচি দেয়া হবে। সারা বাংলার অফিস, আদালত, সড়ক সবকিছু বন্ধ করে দেয়া হবে। আজকের অবরোধকে তিনি ‘বাংলা অবরোধ’ বলে ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন যে কোটা আর থাকবে না। কিন্তু সেই কোটা আবার কেন ফিরে এল সে জবাব আমরা চাই।’

শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবিগুলো হলো: ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরপিত্র বহাল, ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেয়া এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা, সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

এর আগে ২০১৮ সালে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেডের চাকরি থেকে সব ধরনের কোটা বাতিল করেছিল। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটাও বাতিল হয়। গত ৫ জুন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর পর কোটা বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর