মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: মমতা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী প্রতিষ্ঠানের নাম পাল্টে মায়ের নামে করার প্রস্তাব নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম জরুরি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদালতের সাক্ষ্যতে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন রামিসার মা-বাবা শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে সম্পাদকদের নতুন সংগঠন চীনে প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ কর্মকর্তা

হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ২ টাইম ভিউ
হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: মমতা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার ধর্মতলায় ওয়াই-চ্যানেলে ধরনা কর্মসূচিতে নাম উল্লেখ না করে মমতা ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশের একটা বড় খুনিকে আমাদের রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের বিষয়ে কথা বলার অধিকার আমার নেই। তবে ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে এদেশে এসেছিল এবং আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। কিন্তু এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আমাকে ফোন করে বলেছিলেন- ‘আপনি আপনার বেঙ্গল পুলিশকে বলুন এই খবর যেন বাইরে না যায়, এটি দেশের ব্যাপার’।

অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে মমতার প্রশ্ন, ‘কাকে দিয়ে এই খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়েছিল? মনে রাখবেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হলেও আমি কিন্তু সব জানি। আমার হৃদয় সত্যের ভাণ্ডার।’তিনি আরও বলেন, ‘এতদিন আমি এ বিষয়ে মুখ খুলিনি। কিন্তু আজকে আমাদের ওপর অত্যাচারের সব সীমা অতিক্রম করেছে বলেই বলছি। আমি এখনো মূল হোতার নামটা বলছি না, কারণ সেই নাম বললে পুরো বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। দেশের স্বার্থেই ওই নাম বলব না।’

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বরে ঢাকার পল্টনে রিকশায় যাওয়ার সময় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেন মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। পরে এসটিএফ তাদের গ্রেপ্তার করে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর