শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্তের ভিন্নধর্মী গল্পে দোয়েল, আসছে স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘ডাঙগোয়াল’ নিখোঁজের একদিন পর কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধার গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি পর্যন্ত এই মেট্রোলাইন হবে: প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বিএনপি সরকারে এসে জনগণের মানবাধিকার হরণ ও গণতন্ত্র ধ্বংস করছে: নাহিদ ইসলাম নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভারত সফরে যেতে পারেন তারেক রহমান যে কোনো নাগরিকের দেশে ফেরার অধিকার সংবিধানেই রয়েছে: রুমিন ফারহানা মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিবকে গৃহবন্দি রাখার অনুমতি দিলেন রাজা সাতক্ষীরায় প্রাইভেটকার চালক সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার, রিমাণ্ড আবেদন সাতক্ষীরায় যুবলীগের ১৪ নেতা কর্মীর নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেফতার- ৪ ময়মনসিংহে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে সংঘ্যবদ্ধ ধর্ষণ

গাজীপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষকে গুম-হত্যা: আসাদুজ্জামান-ইশতিয়াকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ টাইম ভিউ
গাজীপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষকে গুম-হত্যা: আসাদুজ্জামান-ইশতিয়াকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল
ছবি-সংগৃহীত

গাজীপুর মহানগরের চত্বর এলাকার ইবনে মাসউদ মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে গুম ও হত্যার ঘটনায় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) সাবেক প্রধান আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

এর আগে, গত মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান, এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ ও তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান মিয়াসহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিচয়ে গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসা থেকে অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে তুলে নেয়া হয়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি।

তদন্তে উঠে এসেছে, আটকের পর তাকে টানা নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার মৃত্যু হলে মরদেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি ইউনিট। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে তৎকালীন সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ৩০ জানুয়ারি গাজীপুরের ইবনে মাসউদ মাদরাসা থেকে আল আমিনকে আটক করে নিয়ে যায়।

পরে মিন্টো রোডে সিটিটিসির কার্যালয়ে তাকে টানা ১৮ দিন শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর ঘটনা গোপন করতে কেরানীগঞ্জের তুলসীখালী সেতু থেকে তার মরদেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেয়া হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর