বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আর্থিক বিতর্কের মধ্যে পদ ছাড়লেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার: সেতুমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ ইয়াবা আনতে ওবায়দুল কাদের প্রতিমাসে কক্সবাজার যেতেন, অভিযোগ কর্নেল অলির তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর প্রথম গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ড পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় এক পরিবারে চার খুন: বাবা-ছেলের পরিকল্পনায় হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ অব্যবহৃত ২০০ সরকারি ভবন হবে হাসপাতাল ও মাতৃসদন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি থেকে দুই জাহাজ জব্দ

গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ টাইম ভিউ
গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনার পর গত বুধবার বিকেল থেকে দেশের বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশে মোট পাঁচটি সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটি গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম। উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে যেসব সার কারখানা বন্ধ রয়েছে সেগুলো হলো—ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি।

এর মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানিতে কয়েক মাস ধরেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানাটি এতদিন শতভাগ উৎপাদনে ছিল। তবে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সার উৎপাদন পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে কারখানাটি পুনরায় উৎপাদনে নেওয়া যাবে।

বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় পাঁচ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কারখানার কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, গ্যাস রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

বিসিআইসি সূত্র জানায়, দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু সরবরাহ সংকটের কারণে গত বুধবার থেকে এসব কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এর আগ থেকেই কারখানাগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে ভুগছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর