সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে তমালিকা কর্মকার, ‘অমানুষ’ দিয়ে ফিরছেন ভার্জিনিয়ায় ‘দ্য রেভলিউশনারিজ’-এ ভিন্ন রূপে পাওলি দাম, মুক্তি পেল ঐতিহাসিক সিরিজ সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম কিনতে বাঁধা ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে মবের চেষ্টা!   মঙ্গলবার রাত থেকে কলকারখানায় ‘আগের মতো’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ : জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানের সাথে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২২ টাইম ভিউ
গ্যাস সংকটে বন্ধ পাঁচ ইউরিয়া সার কারখানা

দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনার পর গত বুধবার বিকেল থেকে দেশের বৃহত্তম পরিবেশবান্ধব ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশে মোট পাঁচটি সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটি গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম। উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে যেসব সার কারখানা বন্ধ রয়েছে সেগুলো হলো—ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি।

এর মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানিতে কয়েক মাস ধরেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানাটি এতদিন শতভাগ উৎপাদনে ছিল। তবে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সার উৎপাদন পুরোপুরি গ্যাসনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। কারখানাটিতে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তবে ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পেলেও উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে কারখানাটি পুনরায় উৎপাদনে নেওয়া যাবে।

বর্তমানে কারখানার গুদামে প্রায় পাঁচ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না কারখানার কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, গ্যাস রেশনিংয়ের অংশ হিসেবে দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

বিসিআইসি সূত্র জানায়, দেশের পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা পূর্ণ ক্ষমতায় চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু সরবরাহ সংকটের কারণে গত বুধবার থেকে এসব কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এর আগ থেকেই কারখানাগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে ভুগছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর