শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাইবার আইনের খসড়ায় মতপ্রকাশের ঝুঁকি রয়েছে : টিআইবি বাব আল-মান্দেব দিয়ে সৌদি জাহাজ চলাচলে হুতির নিষেধাজ্ঞা চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া : প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলজেরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন কালিন্দী সীমান্তে ১০-১২ জনকে পুশ-ইনের বিএসএফের অপচেষ্টা, বিজিবির দৃঢ়তায় ব্যর্থ সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের শোক মাউন্ট এলব্রুসে উড়বে বাংলাদেশের পতাকা, রাশিয়া যাচ্ছেন এভারেস্টজয়ী শাকিল ১৮ ঘণ্টায় লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিল হুথিরা নরসিংদীতে নদীতে গোসলে নেমে নারীসহ ৪ জন নিখোঁজ ‘হয় আমি থাকব, না হয় দুর্নীতি’, হাসপাতালে হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জাফরুল্লাহ চৌধুরী আমার জীবনের আইডল : আসিফ নজরুল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ১৯০ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : জাফরুল্লাহ চৌধুরী আমার জীবনের আইডল তিনি সারাজীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যিনি সারা জীবন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তৈরি করে গেছেন। বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি আসিফ নজরুল।

সোমবার (২৯ মে) গণ বিশ্ববিদ্যায়ের একাডেমিক ভবন মিলনায়তনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা যারা জীবিত আছি, আমাদের বহু জীবিত মানুষের চেয়ে অনেক তীব্র ও উজ্জ্বলভাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বেঁচে আছেন। তিনি এখনও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে কোন বৈষম্য থাকবে না। বহু অপবাদ সহ্য করেছেন, বহু বর্বরতা সহ্য করেছেন।ইয়াংপলেটিশিয়ানরা ও তাকে আইডল মানতেন। তার ছিলো অগাধ আত্মসম্মান যিনি নিজ আদর্শ বজায় রাখতে জীবনের শেষ চিকিৎসা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়েছেন।

এ সময় গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ফরিদা আখতার বলেন, অনেকে বলেন জাফর ভাই দেশপ্রেমিক ছিলেন। আমি বলবো উনি দেশের মানুষ প্রেমিক ছিলেন। যার যার অবস্থান থেকে আমাদের প্রত্যেকের একেকজন জাফরুল্লাহ হতে হবে। আজ আমি অঙ্গীকার করছি, জাফর ভাইয়ের কাছ থেকে যতটা শিখেছি, যতটা সান্নিধ্যে থেকেছি স্বাস্থ্য খাতে কাজের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করে যাবো।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে অতুলনীয়, এক এবং অনন্য দাবি করে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টের সভাপতি এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, তার মৃত্যু দেশ ও জাতীর জন্য অপূরনীয় ক্ষতি। তিনি ছিলেন বিপ্লবী, সমাজ বিপ্লবের যে চেতনা সেটাই তার মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এবং পরবর্তী সময়ের যুদ্ধে অবলোকন করা যায়। তিনি চাইলেই অনায়েসে দেশের সেরা ধনীদের এখন হতেই পারতেন, কিন্তু তিনি ব্যাক্তি মালিকানায় বিশ্বাস করেন না। যার প্রমান দেখা যায়, তার গড়া কোনো প্রতিষ্ঠানই তার পরিবার বা নিজস্ব মালিকানার অন্তর্ভুক্ত নয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড মো আবুল হোসেন বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন সাদামাটা একজন মানুষ। আমাদের জন্য তিনি একজন দৃষ্টান্ত,তাকে ধারণ করতে পারাটাই আমাদের এবং শিক্ষার্থীদের সবার জন্য সফলতার কারণ হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই সকলে এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করেন। তারপর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মরণে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, তৃতীয় লিঙ্গের কর্মচারীরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর