জামালপুর পৌর শহরের অন্তর্গত ২নং ওয়ার্ড চর-কম্পপুরে শিক্ষার হার নির্ণয় করে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন জামালপুর যুব সংগঠন (জয়) এর সদস্যবৃন্দরা। জামালপুর পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ড চর-কম্পপুর হলেও কম্পপুরের মতো সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না চর-কম্পপুর গ্রামের এলাকাবাসী। এমতাবস্থায় জানা যায় যে,চর-কম্পপুর গ্রামটি শহরের বাইরে নদীমাতৃক এলাকায় হওয়ায় রাস্তাঘাটের কোন সুযোগ-সুবিধা না থাকাই চর-কম্পপুর গ্রামের শিশু কিশোররা শিক্ষা থেকে এবং এলাকাবাসী সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে এখনো বঞ্চিত রয়ে গেছেন ।
জামালপুর যুব সংগঠন (জয়) এর সভাপতি অলি ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে চর-কম্পপুরে শিক্ষার হার নির্ণয়ে উক্ত জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, আরমান ফয়সাল- সাধারণ সম্পাদক,আসমাউল আহমেদ অনির্বাণ- কোষাধ্যক্ষ,মাজহারুল ইসলাম- প্রচার সম্পাদক,যূথি আক্তার- মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,নাজমুল হোসেন নিরব-ক্রীড়া সম্পাদক,সানজিদা ইয়াসমিন-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, মনীসা আক্তার-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সিয়াম আহমেদ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক,মোঃ জনি-সদস্য।
উক্ত জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এলাকাবাসীর থেকে জানা যায় যে, চর-কম্পপুর গ্রামটি শহরের বাইরে নদীমাতৃক ও রাস্তা বিহীন একটি গ্রাম হওয়ায় এ গ্রামের কোন উন্নতি নেই যার ফলে এই গ্রামে আজও পর্যন্ত একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি। চর-কম্পপুরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকাই এলাকার শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের অবনতি হয়েছে ।
এলাকাবাসী বলেন,আমাদের গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় আমাদের ছেলে-মেয়েদের প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে অন্য উপজেলায় গিয়ে পড়াশোনা করতে হয় । তাছাড়াও বৃষ্টির সময় রাস্তা না থাকায় প্যাক-কাঁদার মধ্যে ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না এবং বন্যার সময় পুরো গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়, যার ফলে আমাদের ছেলে-মেয়েরা অন্য উপজেলার বিদ্যালয়ে যেতে পারে না ও পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়।
এলাকাবাসীর এখন একটাই চাওয়া সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এই যে, আমাদের গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করে দিয়ে গ্রামের ছেলে মেয়েদেরকে পড়াশোনার সুযোগ করে দিবেন।
গ্রামের ছেলে-মেয়েদেরও সরকারের কাছে একটি চাওয়া যে, আমাদের গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করে দিয়ে আমাদেরকে পড়াশুনার সুযোগ করে দিবেন ।
জামালপুর যুব সংগঠন (জয়) এর সভাপতি অলি ইসলাম ফাহিম বলেন, জামালপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক স্যার, জামালপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার স্যার ও জামালপুর সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসার স্যারের অনুমতি সাপেক্ষে আমরা এই শিক্ষা হার নির্ণয় কার্যক্রম পরিচালনা করি এবং সমাজ উন্নয়নের কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আগামীতেও আমাদের এই সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।