বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

জাল সনদে প্রধান শিক্ষক হয়ে ২৪ বছর ধরে করছেন লুটপাট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৪ টাইম ভিউ

মো:আমিন হোসাইন : গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া বাঘু মৃধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিরুদ্ধে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ক্রয় করে এবং অন্য আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদ ক্রয় করে এমপিওভুক্ত হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ঐ শিক্ষকের নাম গোলাম মাওলানা। তিনি বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে এসএসসি প্রথম, ১৯৮৬ সালে এইচএসসি তৃতীয় এবং ১৯৮৬ সালে (ডিগ্রি পাস) করেন দিতীয় বিভাগে এরপর ২০০৯ সালে যশোর টিটি কলেজ থেকে বিএড পাস করেন গোলাম মাওলা। এরই মধ্যে ১৯৯৯ সাল থেকে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০০০ সালে জজকোর্ট, গোপালগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন মৃধা। এরপর নানাভাবে ছলচাতুরীর মাধ্যমে টাকা পয়সা দিয়ে তার এমপিও ভুক্তি করেন বলে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলেই অবগত। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট যেই সব অধিদপ্তরে অভিযোগ জমা পড়েছে গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে উক্ত তদন্তে বের হয়ে আসবে তার প্রকৃত জাল সনদে চাকরির খতিয়ান বলে জোর দাবী জানান অভিভাবক ফরিদ মিয়া।

ইতোমধ্যে তার পছন্দসই ব্যক্তিকে সভাপতি করার জন্য কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে,ক্লাসে ভোটার লিস্ট না টাংগিয়ে এমনকি নোটিশ বোর্ডে ভোটার লিস্ট না দিয়ে তফসিল ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে দাতা সদস্য সাগর মৃধার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এডহক কমিটির সভাপতি ও মুকসুদপুর উপজেলার ইউ এন ও ইমাম রাজী নির্বাচন স্থগিত করেন।

জানা গেছে, সনদ জালিয়াতি করে গোলাম মাওলা তার স্ত্রীকে ২০১৩ সালে সহকারী গ্রন্থাগারীক হিসেবে নিয়োগ দেন। তার স্ত্রীর নাম মুক্তা খানম। অথচ শিক্ষামন্ত্রনালয়ের গেজেটে পরিস্কার উল্লেখ আছে লাইব্রেরি সাইন্স ডিগ্রি ছাড়া গ্রন্থগারীক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর এ বিষয় নিয়ে মুক্তা খানমের সাথে কথা বললে তিনি ২০১৭ সালে লাইব্রেরি সাইন্সে ডিপ্লোমা পাসের সনদ দেখান প্রতিবেদককে।

মুক্তা খানম আরও জানান, তিনি ২০১৩ সালে নিয়োগ পেলেও বেতন নেন নাই। গোলাম মাওলার আচরণে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এমনকি তার সহকর্মীরা ত্যাক্ত,বিরক্ত।

প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাইম জানান, আমাদের কাছ থেকে বেতনের বাইরে অনেক টাকা নিয়েছেন কিন্তু সেই টাকা কোনো উন্নয়নমুলক কাজে ব্যবহার করেন নি।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বলেন,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল।

অভিযোগকারী সাগর মৃধা বলেন, আমাকে কোনো প্রকার অবহিত না করে যে পাতানো নির্বাচন এর আয়োজন করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি সেই বিষয়ে অভিযোগ জমা দিয়েছি এবং নির্বাচন স্থগিত করেছেন ইউ এন ও মহোদয়। আমি চাই বিদ্যালয়ে পড়ালেখার যে অবনতি হয়েছে সেটা পুনরুদ্ধার হোক এবং অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকুক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর