আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এবার মোট ২৮টি কোরবানির পশুর হাট বসানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে দুই সিটি করপোরেশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৬টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১২টি স্থানে পশুর হাট বসবে। ইজারা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ হাট ঠেকাতে এবার কঠোর অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, গাবতলীর স্থায়ী হাটসহ এই এলাকায় মোট ১৬টি স্থানে কেনাবেচার আসর বসবে। এর মধ্যে ১৫টি অস্থায়ী হাটের ইজারা প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে তিন ধাপে টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে ১৫টি হাটের মধ্যে ১০টির ইজারা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৫টি হাটের সিডিউল কেনা হলেও ড্রপ করার সময় এখনও বাকি আছে, যা আগামী সোমবার চূড়ান্ত হবে।ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হচ্ছে উন্মুক্ত টেন্ডারের মাধ্যমে।
এখানে কোনো লুকোচুরি করার সুযোগ নেই। অংশগ্রহণকারীদের সামনেই টেন্ডার খোলা হয় এবং সর্বোচ্চ দরদাতার ফাইল প্রসেস করে টাকা জমা নেওয়া হয়। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সবাইকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ১২টি অস্থায়ী হাট বসানোর প্রস্তুতি চলছে। ইজারা ও হাটের সীমানা নির্ধারণের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানান, এবার কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে টেন্ডার দেওয়া হয়নি। যারা নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদেরই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ম্যাগাজিন
কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের আগে এবং নির্ধারিত সীমানার বাইরে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, আমরা প্রতিটি হাটের সীমানা নির্দিষ্ট করে দিচ্ছি। এর বাইরে কেউ পশু নিয়ে বসলে বা সড়ক দখল করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে হাটগুলোর প্রস্তুতি ও তদারকি নিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।