শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আ.লীগ নেতা তাজুল গ্রেফতার নির্বাচনী ডামাঢোলে সরগরম সৈয়দকাঠী,ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ,কে হবেন আগামীর চেয়ারম্যান? ত্যাগ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজে শীর্ষে জিয়া: ঢাকা মহানগর যুবদলে নতুন সম্ভাবনার আশা মরিশাসে ভারী কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও অসত্য দাবি করে নিন্দা জামায়াতের জামায়াতকে রুখে দিতে না পারলে দেশে আরও একটি বিপর্যয় হবে: নুর আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানিতেই পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: রিজভী টেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ত্যাগ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজে শীর্ষে জিয়া: ঢাকা মহানগর যুবদলে নতুন সম্ভাবনার আশা

​বিশেষ প্রতিনিধি ; ঢাকা :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৯ টাইম ভিউ
​ত্যাগ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজে শীর্ষে জিয়া: ঢাকা মহানগর যুবদলে নতুন সম্ভাবনার আশা
জিয়াউর রহমান জিয়া

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন জিয়াউর রহমান জিয়া। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের ত্যাগী এই তৃণমূল নেতাকে ঘিরে দারুস সালাম থানা ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

​রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতি এড়িয়ে সংকটে দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন জিয়া। বিগত আওয়ামী সরকারের শাসনামলে চরম দমন-পীড়ন, রাজপথের নির্যাতন ও একাধিক রাজনৈতিক মামলা-হামলার শিকার হন তিনি।

​রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দারুস সালাম থানা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তাঁকেই দারুস সালাম থানা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে তিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

​রাজনৈতিক কারাবরণ ও রাজপথের ত্যাগ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার হন জিয়াউর রহমান জিয়া। তাঁর গ্রেপ্তারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও মুক্তির দাবি জানিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটি পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। দীর্ঘ কারাবাস ও নির্যাতন সহ্য করেও তিনি রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।

​পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব

জমি দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা যেকোনো অসংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত থেকে রাজনীতিতে এক পরিচ্ছন্ন ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন জিয়া। স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে তাঁর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে।

​নিজের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশিত পথেই আমার পথচলা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দলকে ভালোবেসে সম্পৃক্ত হয়েছি। রাজপথের কর্মী হিসেবে আমৃত্যু জাতীয়তাবাদী শক্তির পতাকাতলে কাজ করে যেতে চাই।”

​নতুন কমিটিতে মূল্যায়নের দাবি

বর্তমানে যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও কেন্দ্রীয় পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাদের প্রাধান্য দেওয়ার আলোচনা চলছে। এলাকার নেতাকর্মী ও দলীয় সুধীমহলের মতে, আন্দোলন-সংগ্রামে জিয়ার ত্যাগ ও ক্লিন ইমেজ বিবেচনা করে নতুন কমিটিতে তাঁকে শীর্ষ পদে মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনটি আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর