সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে তমালিকা কর্মকার, ‘অমানুষ’ দিয়ে ফিরছেন ভার্জিনিয়ায় ‘দ্য রেভলিউশনারিজ’-এ ভিন্ন রূপে পাওলি দাম, মুক্তি পেল ঐতিহাসিক সিরিজ সৃজনী বহুমুখী সমবায় সমিতির মনোনয়ন ফরম কিনতে বাঁধা ভিডিও ধারণ কালে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে মবের চেষ্টা!   মঙ্গলবার রাত থেকে কলকারখানায় ‘আগের মতো’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ : জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানের সাথে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

দেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় নৌবাহিনীর বিশেষ সতর্কতা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৭ টাইম ভিউ
দেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় নৌবাহিনীর বিশেষ সতর্কতা

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে জ্বালানিবাহী সমুদ্রে নৌযানে হামলার ঘটনায় দেশীয় জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী। দেশের সমুদ্রসীমা ও সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবলম্বন করা হবে। এছাড়াও গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।বাংলাদেশের অর্থনীতি

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, দেশের আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল, এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি যেমন: পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মূলত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বর্তমানে সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোট মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকেও সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। এর ফলে সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযান পর্যবেক্ষণ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজের বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিরাপদ করা সম্ভব হচ্ছে।

যে কোনো ধরনের চোরাচালান বা অবৈধ তৎপরতা রোধে উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্টগার্ড এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর এই পেশাদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর