শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের শঙ্কা শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন মুখ খোলো মমতা জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার আইভীর মুক্তির পর বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানো সম্ভব : আইআরজিসি কমান্ডার চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

দেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় নৌবাহিনীর বিশেষ সতর্কতা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১০০ টাইম ভিউ
দেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় নৌবাহিনীর বিশেষ সতর্কতা

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে জ্বালানিবাহী সমুদ্রে নৌযানে হামলার ঘটনায় দেশীয় জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী। দেশের সমুদ্রসীমা ও সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবলম্বন করা হবে। এছাড়াও গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।বাংলাদেশের অর্থনীতি

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, দেশের আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল, এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি যেমন: পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মূলত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বর্তমানে সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোট মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকেও সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। এর ফলে সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযান পর্যবেক্ষণ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজের বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিরাপদ করা সম্ভব হচ্ছে।

যে কোনো ধরনের চোরাচালান বা অবৈধ তৎপরতা রোধে উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্টগার্ড এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর এই পেশাদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর