রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুরে অনুষ্ঠিত ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী আলোচনা রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অপতথ্য ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ নিয়ে মোদি-ইব্রাহিমের আলোচনা পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’, গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন: স্পিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব রাখা হবে না: ডিএমপি কমিশনার রাজধানীতে পৃথক স্থান থেকে ৪ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রিকস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে চীন: শি জিনপিং

নবম পে-স্কেলের দাবিতে জবির কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

জবি প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০১ টাইম ভিউ
নবম পে-স্কেলের দাবিতে জবির কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ও সহায়ক কর্মচারীবৃন্দ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের আয়োজনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা অবিলম্বে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। সমাবেশে তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারী মো. ফারুক বলেন, কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পে-স্কেলের কথা উঠলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। ঢাকায় স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে থাকা, বাসাভাড়া, সন্তানদের শিক্ষা ব্যয় ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

বিক্ষোভ সমাবেশে সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আবু সাইদ বলেন, বাংলাদেশে কোন বৈষম্য যেন না থাকে, এই জন্য আপনাকে সবাই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের যত কর্মচারী আছে, কর্মকর্তা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন তাদের কথা চিন্তা করে আপনি আমাদের এই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা আশা করি। যদি এটা বাস্তবায়ন করেন, সকল বাংলাদেশের যারা এই পে-স্কেলের সুবিধা পাবে, আজীবন তারা মনে রাখবে। শুধু তারাই না, তাদের ফ্যামিলি যারা থাকবে প্রত্যেকেই আজীবন আপনার এই পে-স্কেলের কথা তারা স্মরণ রাখবে।

কর্মচারী সমিতির আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল বলেন, কর্মচারীরা একত্রে একান্মতা ঘোষণা করে যোগ দেন। একজন শিক্ষকের সকল খরচ বহন করে কত কষ্ট করে জীবনযাপন করে তা সবাই জানে। আমাদের আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি নবম পে স্কেলের দাবী বাস্তবায়নের কর্মসূচিতে সকল কর্মচারীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আমাদের পে স্কেল নিয়ে যারা তালবাহানা করছেন তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই সারাদেশে ১৮ হাজার কর্মচারী আছে তাদের পেটে যদি লাথি মারতে চান আপনারা শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর