বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৬ টাইম ভিউ
প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদা পর্যায়ক্রমে বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, তাদের সম্মানীও বাড়াতে হবে, যাতে তারা অন্য কোনো পেশার কথা না ভেবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে পূর্ণ সময় দিতে পারেন। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সাংসদ হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রশ্ন উত্থাপন করে সাংসদ হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা উচ্চশিক্ষার ভিত্তি। এই দুই স্তরের শিক্ষকদের মানোন্নয়ন না হলে উচ্চশিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন কঠিন হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা মূল বেতন দিয়ে চাকরি শুরু করেন। অন্যদিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন পান। বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে এই বেতন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে সংসার চালাতে শ্রেণিকক্ষের বাইরে অন্য চাকরি বা কৃষিকাজ করতে হয়। একই ধরনের পরিস্থিতি মাধ্যমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও রয়েছে। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা ও বেতন-ভাতা বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে আরও মনোযোগী হতে পারেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে তা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। অতীতে শিক্ষা খাতে অবকাঠামো উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও মানবসম্পদ উন্নয়নে পর্যাপ্ত কাজ হয়নি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে তাদের সম্মানী বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, প্রশিক্ষণের সঙ্গে শিক্ষকদের সম্মানীও বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলে তারা ভালো কিছু ডেলিভার করতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষকরা যেন অন্য কোনো কাজে যুক্ত না হয়ে তাদের সময় ও মেধা শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করতে পারেন। এজন্য তাদের সম্মানী বাড়ানো প্রয়োজন এবং পর্যায়ক্রমে আমরা এই কাজটি করব।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর