সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার রাত থেকে কলকারখানায় ‘আগের মতো’ গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ : জিজ্ঞাসাবাদে মোজাফফর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানের সাথে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বাড়ছে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিকেন্দ্রীকরণে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার আরো ৪০ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, অর্ধেকে নেমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পাঁচ পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য

লালফিতার দৌরাত্মের শেষ কোথায়? _জকসু ক্রীড়া সম্পাদক

জবি প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৭ টাইম ভিউ
লালফিতার দৌরাত্মের শেষ কোথায়? _জকসু ক্রীড়া সম্পাদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রেজিস্ট্রার দপ্তরের অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও লালফিতার দৌরাত্ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাইম। ধূপখোলা মাঠের বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে দপ্তরগুলোর অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী জকসু নেতা জানান, জকসুর প্রথম অধিবেশনেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) কাছে ধূপখোলা মাঠের বৈধ কাগজপত্র না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আলোচনায় বসার অনুমতি চান। তখন উপাচার্য তাকে সিটি কর্পোরেশনের দেওয়া চিঠি ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিগুলো প্রশাসনিক দপ্তর থেকে সংগ্রহ করে নিতে বলেন।

কিন্তু প্রশাসনিক দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করতে বলার পরও তা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে আবার দপ্তরে গেলে রেজিস্ট্রারের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে তাকে ক্রীড়া কমিটির মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়। এ সময় তিনি জানান, উপাচার্য নিজেই তাকে কাগজগুলো নিতে বলেছেন। তখন রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জানানো হয়, ভিসির কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে।

জকসু নেতা বলেন, “আমি একজন খেলোয়াড় মানুষ, কষ্ট করতে জানি। রোজার মধ্যেও আমরা দুইজন মিলে ১৩ তলা থেকে ক্যারামের স্ট্যান্ড নামিয়েছি। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে এভাবে বাধা দেওয়া হলে কাজের গতি ও মানসিকতা দুটোই নষ্ট হয়ে যায়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উচিত ছিল মাঠসংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করা। অথচ তারা সহযোগিতা না করে উল্টো নানা নিয়ম-কানুন দেখিয়ে কাজকে আরও জটিল করে তুলছে। পরবর্তীতে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি জানান, এখন তিনি ব্যস্ত এবং কী কী ডকুমেন্ট দেওয়া যাবে, সে বিষয়েও নিশ্চিত নন। এ প্রসঙ্গে জকসু নেতা বলেন, “মনে হলো আমি যেন জগন্নাথের দলিল চেয়ে বসেছি।”

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি এবং প্রশ্ন তোলেন এ ধরনের সমস্যার সমাধান কোথায়?

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর