সিআইডি জানায়, জাহাজের খালাসি মো. আবুল কালাম শেখ জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে ফেসবুকে এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে প্রথম স্ত্রী-সন্তানের তথ্য গোপন করে এই কলেজছাত্রীকে বিয়ে করেন।
কিছুদিন পর মারধরসহ নানাভাবে নির্যাতন শুরু করলে ভিকটিম আবুল কালামকে ডিভোর্স দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে লালবাগ থানায় মামলা করলে সিআইডি মামলার তদন্তভার পায়। পরে সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খায়রুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল মোংলা থেকে আবুল কালামকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে।