শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলমান তাপপ্রবাহে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের শঙ্কা শিশু রামিসাকে হত্যা : মামলার ১৯ দিনের মাথায় রায় হচ্ছে ৭ জুন মুখ খোলো মমতা জানতে চায় জনতা’ স্লোগানে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ, ওসিসহ পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার আইভীর মুক্তির পর বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানো সম্ভব : আইআরজিসি কমান্ডার চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৪ টাইম ভিউ
১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা

দেশে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাগের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি জানায়, নতুন এ মূল্য আজ সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা। তবে তারও আগে, গত মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা।

এই হিসাবে, মাত্র এক মাসের ব্যবধানে দুই দফায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম মোট ৫৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেল।

এর আগে, গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর ঘোষণায় দেয়। যা আজ থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা ও কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।আগের নির্ধারিত দামের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকায় উঠেছে। কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে, অর্থাৎ লিটারে ১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা হয়েছে, এতে লিটারে ২০ টাকা বেড়েছে— যা সর্বোচ্চ। এ ছাড়া পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে, অর্থাৎ লিটারে ১৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। পারস্য উপসাগর অঞ্চল থেকে জ্বালানি পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি হলেও এখনও হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর