সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

১৮ মাস পর পুনরায় ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা বাস সার্ভিস চালু

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৫ টাইম ভিউ
১৮ মাস পর পুনরায় ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা বাস সার্ভিস চালু

দীর্ঘ ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বাস সার্ভিস। নতুন করে চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি ফিরেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ত্রিপুরা রোড ট্রান্সর্পোট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) একটি যাত্রীবাহী বাস ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। বাসটিতে তিনজন যাত্রী ও তিনজন স্টাফ ছিলেন।

বাস ছাড়ার আগে আখাউড়া সীমান্তের ভারতীয় অংশে যাত্রীদের স্বাগত জানান ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এসময় টিআরটিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সমর রায় ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেমন্ত দেববর্মাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ আব্দুস সাত্তার।

জানা গেছে, ২০০১ সালে আগরতলা-কলকাতা ভায়া ঢাকা রুটে মৈত্রী ও শ্যামলী পরিবহনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা চালু হয়। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যাত্রী নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পরিষেবা বন্ধ ছিল।

পরবর্তীতে বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর দুই দেশের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হয়। ফলে পুনরায় বাস চলাচল শুরু সম্ভব হয়েছে।এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপ্পল বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর এ বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। বাস সার্ভিস পুনরায় চালু হওয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল-এর পক্ষ থেকেও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

ত্রিপুরার পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, এ বাস পরিষেবা দুই দেশের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতীক। এটি শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং জনগণের যোগাযোগ, সংস্কৃতি বিনিময় ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন।

তিনি আরও জানান, বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। ভবিষ্যতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর