শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন শিবা শানু, ছাড়তে হতে পারে শিল্পী সমিতির সভাপতির পদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রথম এআই চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’ চিত্রনায়িকা পপির মা আর নেই জামায়াতের দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা তাহসিফ সাউরির জানাজা সম্পন্ন, উত্তরায় দাফন প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী

এসএসসিতে ১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৮৫ পেয়েছে নিবিড় কর্মকার

প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৬ টাইম ভিউ

চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নিবিড় কর্মকার এবার এসএসসি পরীক্ষায় ১৩০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১২৮৫। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১১ হাজার ৮৪৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও এমন ব্যতিক্রমী ফলাফলের জন্য আলাদা করে নজর কাড়ছে নিবিড়ের নাম।

ফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই ফলাফল নিয়ে উদ্বেগে ছিল নিবিড়। ইন্টারনেটে ফল দেখা যাচ্ছিল না। শেষে বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজের ফলাফল দেখে আনন্দিত হয় সে। নিবিড় জানায়, ‘ভালো ফল হবে আশা করেছিলাম। তবে নম্বর দেখে নিজেরই অনেক ভালো লেগেছে।’নগরের আন্দরকিল্লা এলাকায় ভাড়া বাসায় মা-বাবার সঙ্গে থাকে নিবিড়। বাবা জীবন কর্মকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, মা রিপা রায় গৃহিণী। নিবিড়ের পৈতৃক বাড়ি নোয়াখালী জেলায়।

নিবিড়ের বাবা বলেন, ‘ছেলে নিয়মিত স্কুলের নির্দেশনা মেনে পড়াশোনা করেছে। আমরা শুধু পড়ার পরিবেশ ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি।’ নিবিড়ের মা বলেন, ‘ওকে কখনো চাপ দিইনি। নিজে থেকেই পড়াশোনায় আগ্রহী ছিল।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘নিবিড় খুবই বিনয়ী ও মনোযোগী ছাত্র। এ বছর আমাদের স্কুলে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে সে।’

চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘মেধাভিত্তিক তালিকা না থাকলেও নিবিড়ের ফলাফল অবশ্যই প্রশংসনীয়।’

নিবিড় জানায়, একসময় আঁকাআঁকিতে আগ্রহ ছিল, তবে এখন তার লক্ষ্য বুয়েট। সে বলেছে, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়েই এগোতে চাই। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

সবশেষে নিবিড় বলে, ‘প্রতিটি পরীক্ষার আগে নার্ভাস হয়ে যেতাম। মা-বাবা ও শিক্ষকরা সাহস দিতেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ—সবার চেষ্টায় আজ আমি এখানে।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর