বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, লোডশেডিংও কমে গেছে :সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানকে আমরা রক্ষা করেছি : মির্জা ফখরুল টাঙ্গাইল হাসপাতালে মাথায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পড়ে রোগীর মৃত্যু ভরিতে ৪০৮২ টাকা বাড়লো স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর গুম-খুন ও নির্বাসনের যাতনা আমি বুঝি, শহীদদের স্বপ্ন বৃথা যেতে দেবো না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন: প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন, গেজেট প্রকাশ ৩৭ হাজার কোটির ১৪টি এয়ারক্রাফট কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করল বিমান গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ ৪৮ ঘণ্টায় দেশের ৮ বিভাগে কালবৈশাখীর সতর্কতা

সামনে কঠিন সময়, নিতে হবে অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত: অর্থমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ টাইম ভিউ
সামনে কঠিন সময়, নিতে হবে অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত: অর্থমন্ত্রী

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘কঠিন’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না–ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।এ সময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান। অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।

তিনি বলেন, আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।

বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃ তফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দল আছে, তাদের নাকি ব্যাংকও আছে। বিএনপির ব্যাংক নেই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর