বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

বরগুনার বামনা থানার রামনা ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে রাতের আঁধারে বই বিক্রি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩০৯ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরগুনা জেলার বামনা থানার আমরা ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে রাতের আধারে বই বিক্রির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ওই স্কুলের দুই শিক্ষকের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায় একজন হলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন ও অন্যজন হলেন ওই স্কুলেরই শিক্ষক মোহাম্মদ কালাম –জানা যায় গত ১৪/১১/ ২৩ তারিখ রোজ মঙ্গলবার কালাম স্যারের মাধ্যমে ঐ  স্কুল থেকে বই কিনেন মোহাম্মদ কবির ও মোহাম্মদ ছগীর  তারা মূলত ভাঙ্গারি ব্যবসা করেন। তারা ঐ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা।

কালাম স্যার ছগীর কে বই কেনার প্রস্তাব দিলে, তিনি কবিরকে জানান এরপর দুজন মিলে কালাম স্যারের সাথে কথা বলে একদিন আগে গিয়ে বই মেপে লাইব্রেরীতে রেখে আসেন। এবং মঙ্গলবার রাত ১২ টার পরে সবাই যখন ঘুমের ঘোরে তখন তারা ওই স্কুল থেকে বই  বের করে নিয়ে আসেন। এসময় কালাম স্যার কে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন। সোর্সের  তথ্য অনুযায়ী ২৫ টাকা দরে ১৫০০ কেজি বই বিক্রি করেন তারা যার মূল্য ৩৭ হাজার টাকার মতো। কিন্তু সগির ও কবিরকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা বিষয়টা চেপে গিয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ কেজির কথা স্বীকার করেন। এবং তারা আরো বলেন কালাম স্যারের  মাধ্যমে আমরা বইটা কিনি।

এ বিষয়ে আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রধান শিক্ষক বিষয়টা বসে মীমাংসা ও ফোনে সব কথা বলা যায় না বলে সাংবাদিকদের সাথে বসতে চান। এবং স্থানীয় সাংবাদিকের মাধ্যমে প্রস্তাব ও তার কাছে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা বিক্রি হয় বলে তিনি স্বীকার করেন।ইতিমধ্যে নানান অভিযোগে অভিযুক্ত ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক টাকার প্রতি তার একটা দুর্বলতা অনেক আগে থেকেই কাজ করে টাকার মাধ্যমে তার সুবাদে অনেকে চাকরিও করছেন ওই স্কুলে, এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন সহ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও ক্ষোভ জানিয়েছেন তার এই ঘটনার  সুষ্ঠু তদন্ত সহ  বিচারের দাবি জানাচ্ছেন সুশীল মহল।

এ বিষয়ে আমরা জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান স্কুল থেকে বই বিক্রি করার তাদের কোন অধিকার নাই, আর যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে এবং স্কুলের কোন শিক্ষক জড়িত থাকে তদন্ত সহকারে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখন শুধু স্থানীয়দের অপেক্ষা কতটুকু তদন্ত সহকারে  বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে অভিযুক্ত ঐ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর