মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৭ সদস্যের ‘কিচেন কেবিনেট’-এর সিদ্ধান্তে চলত অন্তর্বর্তী সরকার: তৌহিদ হোসেন ট্রাফিক মামলার জরিমানা পরিশোধ নিয়েও ভুয়া বার্তা, সতর্ক করল পুলিশ বিএনপি সরকারের ১০০ দিনে ৬০ সিদ্ধান্তের ৬২ শতাংশ বাস্তবায়নের দাবি সন্ত্রাসীরা যতই ঝামেলার দিকে যাক, আমরা প্রতিহত করার চেষ্টা করব: এসপি মাসুদ স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা, নেই রিয়াল মাদ্রিদের কোনো খেলোয়াড় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রধান প্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল: রিজভী হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের ১৫ জনের পরিচয় শনাক্ত টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত

ট্রাফিক মামলার জরিমানা পরিশোধ নিয়েও ভুয়া বার্তা, সতর্ক করল পুলিশ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৫ টাইম ভিউ
কোরবানির ঈদ, ডিএমপি ,এআই ক্যামেরা

কোরবানির ঈদের আগে নানাভাবে সক্রিয় প্রতারক চক্র এবার ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল মামলার জরিমানা সংক্রান্ত ভুয়া বার্তা পাঠাচ্ছে নাগরিকদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছে পুলিশ। ডিএমপি বলছে, ওই ধরনের বার্তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে মামলা দেওয়া হলে সে ব্যাপারে আইন অমান্যকারীর নির্ধারিত ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হচ্ছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের/ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষর থাকবে।

পুলিশ বলছে, বর্তমানে ‘প্রয়োজনে’ শুধু দুটি নম্বর ০১৩২০-০৪২২০৭ ও ০১৩২০-০৪২২২৭ থেকে বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এআই বা ভিডিও মামলা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ওই দুটি নম্বর এবং জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

কোরবানির ঈদের আগে বিভিন্ন জনের মোবাইল ফোন নম্বরে কল কিংবা ভুয়া বার্তা পাঠাচ্ছে প্রতারক চক্র। মোবাইলে আর্থিক লেনদেন বা এমএফএসে প্রতারণার পাশাপাশি নাগরিক ফোন করে ব্যাংকিং সেবা, লটারি, ঈদের কেনাকাটায় পুরস্কার আর সন্তানদের উপবৃত্তিসহ নানা কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বিভিন্ন চক্র। পাঠানো হচ্ছে নানা ধরনের প্রতারণামূলক লিংক।

এসব প্রতারণা ছাড়াও সম্প্রতি ঢাকার সড়কে এআই ক্যামেরায় ধরা পড়া আইন লঙ্ঘনের ব্যাপারেও মামলা ও জরিমানা সংক্রান্ত ভুয়া বার্তা পাঠানো হচ্ছে নগরবাসীর কাছে। বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে পুলিশ বলছে, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কখনোই কোনো পিনকোড, পাসওয়ার্ড ও ওটিপি জানতে চাইবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্যে বিভ্রান্ত বা প্রতারিত না হতে নগরবাসীকে অনুরোধ করেছে পুলিশ।

ডিএমপি আরো বলছে, ট্রাফিক বিভাগের জরিমানা করা যানবাহনের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যম উপায় ও সিবিবিএলে পরিশোধ করা যায়। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরা বসিয়েছে পুলিশ। এর ফলে আইন অমান্যকারী যানবাহনগুলো শনাক্ত করছে ক্যামেরা। ক্যামেরাগুলোতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন হলে তা শনাক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে।

ডিএমপি সদর দপ্তরে গত ২৯ এপ্রিল আইজিপি আলী হোসেন ফকির এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ৩ মে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চালক ও গাড়ির মালিকদের ‘ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ট্রাফিক মামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। কয়েকদিন পরীক্ষামূলকভাবে চলার পর ৭ মে থেকে নির্ধারিত পয়েন্টগুলোতে স্বয়ংক্রিয় মামলা কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। আইন লঙ্ঘন হলেই সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে গাড়ির মালিককে। বর্তমানে শুধু ডাকযোগে মামলার কপি পাঠানো হচ্ছে আইন অমান্যকারীদের ঠিকানায়।

তবে নগরবাসী অনেকের কাছে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন সংক্রান্ত ভুয়া বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার মধ্যে প্রতারিত না হতে ওই ব্যাপারে সতর্ক করল পুলিশ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর