রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোয়ালন্দে হালিম মিয়া কলেজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরন, রোপন ও রেলী অনুষ্ঠিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জেলায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হত্যার হুমকির পর ইরানকে পাল্টা হুমকি ট্রাম্পের ভোলায় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের হামলা ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসচাপায় ৫ জন নিহত, ৬ গাড়িতে আগুন বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল মার্কিন দূতাবাস বাগেরহাটে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মিলল বিএনপি নেতার লাশ চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন আমলাদের খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ যাওয়ার দিন শেষ: শিক্ষামন্ত্রী

ভোলায় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের হামলা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ টাইম ভিউ
ভোলায় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের হামলা
ভোলায় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের হামলা । ছবি- সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির শিকদার, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আইসিটি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ না পেয়ে একদল পরীক্ষার্থী বিক্ষুব্ধ হয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরীক্ষা শেষে প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্র ত্যাগ করে।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রায় দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে তারা উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষার হলে কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শেষে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে তারা কলেজের দুটি গেট ভেঙে ভবনের জানালা ও অন্যান্য স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী (ইউএনও) কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, “প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে কিছু পরীক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, “পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর