চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রুইথনপুর গ্রামে জমি দখল ও অশোভন আচরণের অভিযোগে উমিয়া খাতুন ও তার স্বামী পীর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উমিয়া খাতুন গ্রামের একটি স্থানে ১৩ শতক জমি ক্রয় করলেও পরে অন্য একটি স্থানে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গত শনিবার গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
গ্রামের বাসিন্দা ইয়াসিন আলীর ছেলে আজিজুল হক জানান, উমিয়া খাতুনের আচরণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তিনি অভিযোগ করেন, উমিয়া খাতুন প্রায়ই অশোভন ও অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে নষ্ট করছে।
এদিকে, জমির দাবিদার নুর আলমের স্ত্রী বিলকিছ খাতুন আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে আদালতেও মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশনা ও বিরোধ নিষ্পত্তির আগেই উমিয়া খাতুন ও তার স্বামী পীর মোহাম্মদ ওই বিতর্কিত জমিতে ঘর নির্মাণ করেছেন। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে গ্রামবাসী গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে উল্লেখ্য, উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে উমিয়া খাতুন ও তার স্বামী পীর মোহাম্মদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী ও স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আদালতের বিচারাধীন।