বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

মাধবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৯২ টাইম ভিউ

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ নজরুল ইসলাম খান : লোকবল সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও লোডশেডিং এর কারণে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে অপারেশন থিয়েটারে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় প্রায়ই লোডশেডিং এর কারণে বিপাকে পড়তে হয় ডাক্তার ও রোগীদের। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক সময় জরুরী সিজারিয়ান অপারেশনের রোগীকে নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় থাকতে হয় ডাক্তারদের। ৩১ শয্যা থেকে ৫০শয্যা হাসপাতালের উন্নতি হয়েছে নামেই।

নতুন করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল দেওয়া হয়নি। ৩৬ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র ১৯ জন। কার্ডিওলজি, ইএনটি, এনোস্থিসিয়া, সার্জারী, চর্ম ও যৌন কনসালটেন্ট পদ দীর্ঘদিন যাবত শূন্য। স্বাস্থ্য সহকারী ৫০টি পদের মধ্যে ১৮টি পদ শূন্য। স্টাফ, নার্স থাকার কথা ৩ জন, আছেন মাত্র ১ জন। কোন স্টোর কিপার না থাকায় আয়া, মালি দিয়ে চলছে স্টোরের কাজ। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ৩টি পদের ২টি
শূন্য রয়েছে। মেডিকেল টেকনিশিয়ান (রেডিওগ্রাফি) না থাকায় এক্সরে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। দন্ত বিভাগে নেই টেকনিশিয়ান, চক্ষু বিভাগে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। প্র¯্রাব পরীক্ষার জন্য কোন রুম না
থাকায় রোগীদের বাইরে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা নিয়ে পরীক্ষা করতে হচ্ছে। ট্রমা সেন্টার না থাকার কারণে হাড় ভাঙ্গা রোগীদের কোন চিকিৎসা করা যাচ্ছে না এখানে। কম্পাউন্ডার, ওটি বয়,
ইমার্জেন্সি, এটেনডেন্ট, মালী সহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ৪০ থেকে ৪৫ ভাগ পদ শূন্য। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ ইশতিয়াক আল মামুন বলেন, আমাদের পুরোনো বিল্ডিংয়ের জন্য আগের একটি জেনারেটর আছে।

যেটি দিয়ে নতুন বিল্ডিংয়ে কাভার দেওয়া যায় না। তাই বিদ্যুৎ না থাকলে সিজারিয়ান অপারেশনের সমস্যা হয়। আমাদের লোকবল সহ যেসব সমস্যা আছে সেগুলোর বিষয়ে আমরা কর্তৃৃপক্ষের নিকট চাহিদা দিয়ে রেখেছি।
তবে কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তা বলতে পারছি না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর