বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবথেকে জমকালো আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যকার
আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পরিবর্তনে সরাসরি আলোচনার উদ্যোগ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ভারতের মাটিতে খেলতে বাংলাদেশের অনাগ্রহকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আইসিসির
সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে,
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ঘিরে চলমান অস্থিরতা এবার রূপ নিলো সরাসরি উত্তেজনায়। নির্ধারিত ম্যাচ না হওয়ায় রাজধানীর মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষুব্ধ দর্শকদের ভাঙচুরে পরিস্থিতি একপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে
ক্রিকেটারদের দাবির মুখে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়েছে বিসিবি। ওই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। তবে তারা চাচ্ছেন নাজমুল ইসলাম প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন। বৃহস্পতিবার
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে বিসিবির উত্থাপিত উদ্বেগের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরবচ্ছিন্ন অংশগ্রহণ
আগামীকালের মধ্যে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর একটায় বিপিএলের ম্যাচের আগে তিনি পদত্যাগ না করলে সব ধরনের খেলা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন
মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতে অনুষ্ঠেয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে দল পাঠাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শেষমেশ বৈশ্বিক এই মহারণে না খেললে আর্থিকভাবে লোকসান হবে ক্রিকেটারদের। যে কারণে প্রশ্ন উঠছে,
অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো। ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ হওয়ায় ট্রফি স্পর্শ করার সেই সুযোগ নেই হামজা রাকিব হোসেন-জামাল ভূঁইয়াদের। তবে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার
ভারত–নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন লাইভ ধারাভাষ্যে করা এক মন্তব্য ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন ভারতের সাবেক কোচ সঞ্জয় বাঙ্গার। ভাদোদরায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে তিনি হিন্দিকে ভারতের “জাতীয় ভাষা” বলে উল্লেখ করেন,