রাগ মানুষের নেক আমল নষ্ট করে দেয়। রাগের সময় মানুষ এমন কিছু কাজ করেন, যার জন্য পরে তাকে অনুশোচনায় ভুগতে হয়। রাগের বশে কারো ক্ষতি করা বীরের কাজ নয়। বরং
মহাগ্রন্থ কোরআনে কারিম মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশেষ আসমানি কিতাব। অপরাপর আসমানি কিতাবের মতো এটি নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল, জনগোষ্ঠী, ভাষাভাষী কিংবা কোনো সময়ের জন্য নয়- বরং কিয়ামত
ভালো কোনো সংবাদ পেলে, কাঙ্ক্ষিত কোনো বিষয় পেলে আমরা আল্লাহতায়ালার নিকট কৃতজ্ঞতা আদায় করি। কৃতজ্ঞতা আদায় করতে বলি- আলহামদুলিল্লাহ কিংবা মাশাআল্লাহ। পছন্দনীয় কোনো কিছুর সংবাদ দিতে গেলে হয়তো বলি, আল্লাহর
রাসুল (সা.) যেমন উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এর মধ্যে একটি হাদিসে মহান রবের কাছে প্রিয় তিনটি আমলের কথা উঠে এসেছে।
ভয় মানুষের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। আর কৃপণতা কোনো ভালো স্বভাব নয় এটি একটি মানসিক ব্যাধি। রাসুল (সা.) কৃপণতাকে মারাত্মক রোগ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কৃপণতা ও ভয় থেকে বাঁচতে এ
রাতের আগমন, দিনের পরিবর্তন মানুষের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। দুঃখ, কষ্ট, বিপদ ও সংকট মানুষের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মানুষের শরীরে, তার পরিবারে, তার
কেউ রাখেন শখে। আবার কেউ রাখেন ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে। কিংবা স্টাইল সচেতন পুরুষরা-ও বর্তমান সময়ে দাড়ি রাখছেন। ধর্মীয় ঠিক থেকে বিবেচনা করলে, দাড়ি রাখা কোনো ফ্যাশন নয়, এটি ইবাদত। এটি
হাদিস শরিফে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন তিন শ্রেণির মানুষের কথা এসেছে। এই তিন শ্রেণির মানুষ সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা নিজে তাদের জিম্মাদার, দায়িত্বশীল। বড় কেউ কোনো ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব নিলে,
প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি পূরণে যত্নবান হওয়া। কেননা পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অঙ্গীকার পূরণের প্রতি বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ
রাসুল (সা.) যেমন উম্মতদের নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এর মধ্যে একটি হাদিসে মহান রবের কাছে প্রিয় তিনটি আমলের কথা উঠে এসেছে। ইবনু