ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীরাও রয়েছেন। সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে আহতদের উদ্ধার করে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে হামলা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কোটা বৈষম্য নিরসনের কল্পে আইন পাসের লক্ষ্যে সংসদের জরুরি অধিবেশন আহ্বান ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণ-পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের
সরকারি চাকুরিতে কোটার যৌক্তিক এবং বৈজ্ঞানিক সংস্কারের দাবীতে গণ পদযাত্রা ও রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পটুয়াখালী
সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার একদফা দাবিতে সারা দেশের সাথে একাত্মতা পোষণ করে শান্তিপূর্ণ গণপদযাত্রা করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানের উল্লেখিত অগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে নূ্্যনমাত্রায় এনে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার ও মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গণপদযাত্রা করেছে বেরোবি
সারাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (১৪
যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এর অংশ হিসেবে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির পর এবার গণপদযাত্রা ও রাষ্ট্রপতি
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে পুলিশ। আন্দোলনের সময় পুলিশের যানবাহন ভাঙচুর, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি হিসেবে ‘অজ্ঞাতপরিচয় অনেক
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন ২০১৮ সালের মতোই ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করছে। দিন দিন উপস্থিতি বাড়ছে কর্মসূচিতে। সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলন বন্ধ করতে বারবার বলা হলেও