রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি কে হবেন সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী আইনের শাসনের সামনে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ আজ প্রেমিকা দিবস, সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ সাভারে তরী বাংলাদেশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ভোলার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধানে মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা আশুলিয়ায় প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, অফিস সহকারীর জুলাইয়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩৬, আক্রান্ত ছাড়াল ৯ হাজার জুলাইয়ের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না: তথ্যমন্ত্রী

ভোলার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধানে মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ টাইম ভিউ
ছবি সংগ্রহীত

ভোলা সদর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রাথমিক অনুসন্ধানে সম্পদের অসামঞ্জস্যতার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি ও তার পরিবারের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ে তোলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, বরিশাল নগরীর উত্তর অক্সফোর্ড মিশন রোডে ‘পান্না প্যালেস’ নামে একটি বহুতল ভবন রয়েছে, যার মালিক হিসেবে মো. মনির হোসেন মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বরিশালের কাউনিয়া ও আমতলা এলাকায় একাধিক জমির প্লট এবং বাকেরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কাজলাকাঠি গ্রামে একটি ফার্মহাউস থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মনির হোসেনের স্ত্রী শাহনাজ পান্নার নামে কোনো দৃশ্যমান আয়ের উৎস না থাকলেও তার নামে প্রাইভেটকার, প্রায় ১৩০ ভরি স্বর্ণ এবং বিভিন্ন স্থানে জমি রয়েছে। ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চরফ্যাশন ও বোরহানউদ্দিন থানায় দায়িত্ব পালনকালে এসব সম্পদ অর্জিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, দায়িত্ব পালনকালে জুয়ার আসর, মাদক এবং সরকারি অভিযানে জব্দ করা ইলিশ বিক্রিসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। অতীতে একাধিকবার বিভাগীয় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের বরিশাল কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এইচ এম আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে সম্পদের অসামঞ্জস্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি কমিশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনির হোসেন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। তবে সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত তার আর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে তার স্ত্রী শাহনাজ পান্নার সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর