বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির শ্যালিকাকে বিয়ে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে যুবক ও তার দুই স্ত্রীকে এলাকাছাড়া করল গ্রামবাসী মোবাইলে যেভাবে দেখবেন এইচএসসির ফলাফল ইমরান খানের ‘ভারত ছাড়ার নির্দেশ’ স্থগিত করলেন আদালত চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা বিপি সিং চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাউজানে অস্ত্রের মুখে নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই! যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত

চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই: কৃষিমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬৩ টাইম ভিউ
চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই: কৃষিমন্ত্রী
ছবি-সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাসায়নিক সারের চাহিদা অনুযায়ী কোনো ঘাটতি নেই বলে সংসদে দাবি করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সদস্য রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা ২৬ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। এ ছাড়া টিএসপি সারের চাহিদা সাত লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, ডিএপির চাহিদা ১৪ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন এবং এমওপি নয় লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।

চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই দাবি করে তিনি বলেন, কৃষকের কাছে সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে এবং নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছানো নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি চলছে।এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সার কারখানা আবার চালু করতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ও সংসদে ওঠে। সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, অতীতে আশুগঞ্জের সার কারখানা থেকে বছরে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদন হত। গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে সারের আমদানি নির্ভরতা বেড়েছে।

কারখানাটি আবার চালু করতে কবে গ্যাস দেওয়া হবে জানতে চান তিনি। জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সার কারখানাটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের আওতাধীন। তবে কারখানাটি চালু হলে দেশের জন্য ভালো হবে।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম চরাঞ্চলের জন্য সমন্বিত কৃষি, মৎস্য ও পশুপালনভিত্তিক একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেন। তার ভাষ্য, এর মাধ্যমে চরাঞ্চলের বেকার যুবক ও কর্মক্ষম মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, চরাঞ্চলের জন্য কিছু প্রকল্প ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। চরাঞ্চলে সারা বছর সব ধরনের ফসল ফলানো সহজ না হলেও, কোন কোন ফসল সেখানে ভালো হবে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংসদ সদস্যের দেওয়া প্রস্তাব চলমান প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এ বছরের মধ্যেই তা অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা করা হবে। তা না হলে ভবিষ্যতের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর