রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মিষ্টি সুভাসের আক্ষেপ, ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলেন’ সাতকানিয়ার ৬ ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু, ডিসিকে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ জামালপুরে অনুষ্ঠিত ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী আলোচনা রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অপতথ্য ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জাকির নায়েকের প্রত্যর্পণ নিয়ে মোদি-ইব্রাহিমের আলোচনা পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন বাড়ি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী’, গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন: স্পিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচের কথা বলে ডেকে নিয়ে দুই নৃত্যশিল্পীকে নৌকায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ডাকসু নির্বাচনে থাকবে সেনা মোতায়েনসহ তিন স্তরের নিরাপত্তা

ঢাবি প্রতিনিধি :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৫ টাইম ভিউ

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। ডাকসুকে কেন্দ্র করে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭টি প্রবেশমুখে থাকবে সেনা পাহারা।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ডাকসু ও হল পর্যায়ের সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রার্থীদের সঙ্গে চীফ রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

ডাকসুর চীফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগন উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়াও, সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর বরাতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ভোট গ্রহণের দিন ৮টি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে।

সেখানে, প্রথম স্তরে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি সদস্য ও প্রক্টরিয়াল টিম। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান করবে।

এছাড়াও, প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোট শেষে ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র সেনা সদস্যরা কর্ডন করে রাখবেন। ভোট গণনার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।

পাশাপাশি, নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে আবাসিক হলে কোনো বহিরাগত থাকতে পারবে না। নিয়মিত টহল পরিচালনার মাধ্যমে এ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। তবে ছাত্রীদের হলগুলোতে কখনোই বহিরাগতরা থাকতে পারেন না।

নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পুরোপুরি সিলগালা থাকবে। বৈধ শিক্ষার্থী, অনুমোদিত সাংবাদিক ও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

যেসব শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে থাকেন, তাদের ভোটদানের জন্য বিভিন্ন রুটে বাসের অতিরিক্ত ট্রিপের ব্যবস্থা করা হবে। এসব বাস নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর