আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটের দিন রাজ্যে নিহত ১২ জন। মুর্শিদাবাদে দুই তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। নিহত এক কংগ্রেস এবং সিপিএম কর্মীও। জেলার বিভিন্ন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সিপিএমের কর্মীরা।
ভারতীয় এক গণমাধ্যমের খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে নিহত তৃণমূল কর্মী। কোচবিহারের ফলিমারি গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটেরহাট ৪/৩৮ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্টকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। দিনহাটায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মীর। মালদহের মানিকচকে তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ইংরেজবাজারে বোমাবাজিতে নিহত তৃণমূল প্রার্থীর শাশুড়ি। নদিয়ার চাপড়ায় তৃণমূলের এক কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। গোয়ালপোখরেও শাসকদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় নিহত তৃণমূলের এজেন্ট। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিংহ শনিবার দুপুরে জানান, ভোটের দিন তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। তুফানগঞ্জে খুন হন শাসকদলের আরও এক কর্মী। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে দু’নম্বর ব্লকের বিষ্ণুপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাত নম্বর বুথে তৃণমূল এবং সিপিএমের সংঘর্ষে জখম হয়েছিলেন সিপিএম কর্মী রাজিবুল হক। শনিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়াও ভোটকেন্দ্রে ছাপ্পা ভোট ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। হাওড়ার জগৎবল্লভপুর শঙ্করাটি এক নম্বর চকসদর এলাকায় আইএসএফ কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যালট বাক্স লুট করার অভিযোগ তুলল তৃণমূল। ব্যালট বাক্স নিয়ে পালাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যান অভিযুক্তরা। পরে ব্যালট বাক্স উদ্ধার করে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইএসএফ এবং তৃণমূলের সংঘর্ষ বাধে। বেশ কয়েক জন জখম হয়েছেন বলে দাবি।