শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট: লেনদেনে সমস্যা নেই সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিম তীর অবরুদ্ধ করার নির্দেশ নেতানিয়াহুর আবার‍ও কক্সবাজারে হোটেলে আগুন ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা আব্বাস হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি ১২১৪ লিসবনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: বন্ধ কামোঁস মাধ্যমিক বিদ্যালয় অসুস্থ ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি পুলিশের জন্য ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

পুলিশের জন্য ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ টাইম ভিউ
পুলিশের জন্য ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ
ছবি-সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের যানবাহন সংকট নিরসন, জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ জন্য দুটি পৃথক প্রকল্পে মোট ৬ হাজার ৬০৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ২৫ অক্টোবর সচিবালয়ে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রস্তাবিত প্রকল্প দুটির মধ্যে সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪ হাজার ৮২৯টি যানবাহন কেনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে, বিশেষায়িত ১ হাজার ১টি যানবাহন সংগ্রহে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ২ হাজার ২৮০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেশের ৬৩৯টি প্রশাসনিক থানায় বর্তমানে যানবাহনের সংখ্যা ১ হাজার ২৩৭টি। এসব যানবাহন দিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। ফলে থানাপ্রতি গড়ে দুটি গাড়িও নেই। এর ওপর বিদ্যমান যানবাহনের প্রায় ৬৪ শতাংশের বয়স ১০ বছরের বেশি।পুরোনো ও সীমিতসংখ্যক যানবাহনের কারণে নিয়মিত টহল, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের ঘটনাস্থলে পাঠানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। নতুন যানবাহন যুক্ত হলে পুলিশের চলাচল ও অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বাড়বে বলে প্রকল্প প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধ দমন এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এসব যানবাহন ভূমিকা রাখবে।

বিশেষায়িত যানবাহনের মধ্যে রয়েছে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের গাড়ি, অল-টেরেইন ভেহিকল (এটিভি), মোবাইল কমান্ড সেন্টার ও ক্রাইম সিন ভ্যান। জনতা নিয়ন্ত্রণ, দুর্গম এলাকায় অভিযান পরিচালনা এবং অপরাধস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহে এসব যানবাহন ব্যবহার করা হবে।

এ ছাড়া নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই এলাকার সুরক্ষা, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্পিডবোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প দুটির অর্থবছরভিত্তিক ব্যয় পরিকল্পনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ হাজার ৮০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ হাজার ৮৬৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৬০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

যানবাহন কেনার পাশাপাশি সেগুলো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগও রাখা হয়েছে। সাধারণ যানবাহনসংক্রান্ত প্রকল্পে ১ হাজার পুলিশ সদস্য এবং বিশেষায়িত যানবাহনসংক্রান্ত প্রকল্পে ৯৬০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া গাড়ি মেরামতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার জন্য দেড় কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর