বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আদিতমারীতে রেকর্ড ভাঙা লোডশেডিং, গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন ছয় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ভোটার তালিকা নিয়ে প্রকাশ রাজের অভিযোগ, ‘নাম মুছে দেওয়া হয়েছে’; কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘শিফটেড’ হিসেবে চিহ্নিত রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের যত্নে যেসব মসলা কাফরুল থানা ছাত্রদলের ৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪ চাকরি যাচ্ছে বিপ্লব কুমারসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের বৈঠক ডেকেছেন সিইসি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে যা বলছে দিল্লি নকলায় এসএসসিতে চার বিষয়ে ফেল, শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতিভিত্তিক কোনো ব্যবসা করতে দেবো না: অর্থমন্ত্রী

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ টাইম ভিউ
বিএনপি সরকারের অধীনে স্বজনপ্রীতিভিত্তিক কোনো ব্যবসা করতে দেবো না: অর্থমন্ত্রী
ছবি-সংগৃহীত

বিএনপি সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষণমূলক বা স্বজনপ্রীতিভিত্তিক ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এখানে কে কার সঙ্গে পরিচিত, এই সরকারের অধীনে এগুলো চলবে না। সে যে পদেরই মন্ত্রী হোক বা যত প্রভাবশালী লোকই হোক না কেন, সরকারের আমল থেকে কোনো পৃষ্ঠপোষণতার সুযোগ নেই।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) চট্টগ্রামে কাস্টমস ও বন্দরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক যৌথ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের একটি ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীলতা এবং পরবর্তীতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা, জনগণের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, আমাদের রপ্তানি ও শিল্পায়ন বাড়ানো এবং ব্যবসার জন্য একটি নিরাপদ ও সুবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা, যাতে ব্যবসায়ীরা কোনো বাধা ছাড়া তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা সহজ করার জন্য অর্থাৎ ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ নিশ্চিত করতে বিগত দিনে যেসব সমস্যা ও নানা ধরনের রেগুলেশনের মাধ্যমে বাধা তৈরি করা হয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বাজেটেই ডিরেগুলেশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ডিরেগুলেশনকে বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার জন্য অনেকগুলো উদ্যোগের একটি হচ্ছে চট্টগ্রামের আজকের এই যৌথ সভা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের সভায় আমরা মূলত এনবিআর ও পোর্টের যৌথ উদ্যোগে কাস্টমস ও পোর্টের কার্যক্রম যেন গভীর ও ঝামেলাহীনভাবে চলতে পারে, সে বিষয় নিয়ে বসেছি। কাস্টমসের রেগুলেশন জটিলতা এবং বন্দরে অতিরিক্ত খরচের কারণে সাধারণ মানুষকে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের চাপে পড়তে হয়। এতে ব্যবসায়ীদেরও পরিচালন খরচ বাড়ে।’

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর