সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

যুক্তরাজ্যজুড়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১১ টাইম ভিউ
যুক্তরাজ্যজুড়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

ইসরাইলকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শত শত মানুষ। ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন বিক্ষোভকারীরা।গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ‘ফ্রেন্ডস অব প্যালেস্টাইন’ কর্তৃক প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পতাকা বহন করছেন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে ম্যানচেস্টারের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। তারা ‘ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটাও’ লেখা একটি বড় ব্যানার বহন করেন।

এর কয়েক সপ্তাহ আগে লন্ডনে প্রায় ৮০,০০০ মানুষ দুটি বড় প্রতিদ্বন্দ্বী বিক্ষোভে অংশ নেয়। এর মধ্যে এক বিক্ষোভে কিছু প্রতিবাদকারী উইনস্টন চার্চিলের মূর্তির ওপর উঠে ফ্লেয়ার জ্বালায়।

প্রো-প্যালেস্টাইন সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাবেক এমপি ডায়ান অ্যাবট বলেন, এসব আন্দোলন ‘ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন ধরণের পরিবর্তনের পথ তৈরি করছে’। তিনি বলেন, এসব আন্দোলন “গণহত্যার বিরোধিতা করে’ রাজনৈতিক প্রভাব ফেলছে এবং তারা ‘অত্যন্ত ডানপন্থী, বর্ণবাদী ও ইহুদি-বিদ্বেষী শক্তির বিরুদ্ধে’ একসাথে লড়ছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষণতিনি আরও বলেন, এসব প্রতিবাদকারীরা একটি ‘সাধারণ শত্রুর’ বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং ঘৃণা ও বিভাজনের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হবে।সরকার জানিয়েছে, কট্টর ডানপন্থী হিসেবে বর্ণিত ১১ জন বিদেশিকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ইউরোপীয় রাজনীতিক ও কর্মী রয়েছেন।

এবার প্রথমবারের মতো নতুন বিক্ষোভ-নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে, বিক্ষোভে উসকানিমূলক বক্তব্য বা ঘৃণামূলক বক্তব্য দিলে আয়োজক ও বক্তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি (face recognition) প্রথমবারের মতো বিক্ষোভ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করা হয়েছে। পুরো নিরাপত্তা অভিযানে হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

পুলিশ জানায়, এটি একটি ‘অভূতপূর্ব’ নিরাপত্তা অভিযান, যার খরচ প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড।

একই দিনে চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটির এফএ কাপ ফাইনালও থাকায় নিরাপত্তা আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এদিকে, পশ্চিম তীর ও গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরাইল। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৯৫১ জন নিহত এবং ২ হাজার ৯৮৪ জন আহত হয়েছে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৭৮২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর