শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতের প্রধান ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় সাইবার হামলা নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কা, ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ঘিরে চারটির বেশি সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ককটেল বিস্ফোরণ ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট: লেনদেনে সমস্যা নেই সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিম তীর অবরুদ্ধ করার নির্দেশ নেতানিয়াহুর আবার‍ও কক্সবাজারে হোটেলে আগুন ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

শেষ সময়ে জমজমাট ঈদ বাজার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৬৭ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : রাত পেরলেই পবিত্র ইদুল ফিতর। এবারের ঈদ উপলক্ষে তেমন জমে উঠনি পটুয়াখালী বাউফলে শপিং মল ও দোকানপাট বলে জানান দোকান মালিকরা। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সরেজমিনে কয়েকটি মার্কেট ঘুরে ও দোকানদারের সাথে কথা বলে জানা যায়। পুরুষ ক্রেতার থেকে মহিলা ক্রেতাই বেশি মার্কেটে। উপজেলার বগা বন্দরে মার্কেট গুলোতে অবসর সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।

কাপড় ও কসমেটিকস বিক্রেতারা জানান, এবারে ঈদের বাজারে নারীদের আগমন সংখ্যা বেশি তারা নতুন পোশাক সায়রা, নায়রা এবং অরগাঞ্জা, সাথে মেকআপ বক্স, হাতের চুরি, কানের দুল, কেনার বেশি আগ্রহ, থাকলেও তেমন কেউ কিনছেন না।

বরাবরের মতো উন্নত মানের শারি, লেহেঙ্গা, থ্রি-পিস, ওয়ান পিসসহ, ভালো মানসম্মত কাপড় পাওয়া যাচ্ছে। দোকানিরা তাদের দোকানের সামনে নানান ডিজাইনের পোশাক হ্যাঙ্গারে সাজিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছেন। ছেলে-মেয়েরা এমনকি তাদের অভিভাবকরাও এসব দোকানে ক্রয় করার জন্য এ দোকান থেকে ঐ দোকানে ঘুরছে।

অন্য দিকে স্বল্প আয়ের মানুষদের কেনাকাটা করার জন্য হিমশিম খাচ্ছে। বাজেট করে পকেট টাকা নিয়ে আসলেও নিজের জন্য কিছু ক্রয় না করেও ছেলে সন্তানের চাহিদা মতো কেনাকাটা করতে পারছেন না অনেক পরিবার।

যদিও কয়েকজন ক্রেতা শফিক ,  গাজি, রফিক, শামিমার সাথে কথা হলে তারা জানান- যে পোশাক মালিকরা পোশাকের দাম দিগুণ চাচ্ছে ও নিচ্ছে। অন্যান্য দোকানদাররা পণ্যের দাম বেশি চাওয়ায় তারা পোশাকসহ ঈদ সামগ্রী কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। এ রকম হলে তারা চাহিদা মত ইদ সামগ্রী কিনতে পারবে না।

বাউফল উপজেলার বগা বাজারে জোনাকি ক্লোথ স্টোর কাপর ব্যবসায়ী সুজন রাড়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বেশকিছু দিন আগে বেচা কেনা তেমন না থাকলেও এখন বেশকিছু কাস্টমার আছে মার্কেটে আসছে তাদের সাধ্য মত কিছু কেনাকাটা করছে। ইদ বাজার যেমন জমজমাট থাকার কথা তেমন জমজমাট নেই বললেই চলে।

তিনি আরও বলেন, আশা করি আজ চাঁদ রাতে ক্রেতারা মার্কেট মুখি হবে।

মল্লিক স্টোরের মুদি দোকানদার ফারুক মল্লিক বলেন, আমরাই পাইকারি মালামাল সেমাই, চিনি, নুডলস, ট্যাং, কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। তারপরে খুচরা বিক্রি করতে আরও ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। কারণ আগে সেমাই কিনতাম খোলাটা ৬০ টাকা এখন কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা যা আমরা দুই টাকা ব্যবসা না করলে খাবো কি? অনেক কাস্টমার যে আগে নিত পাঁচ কেজি এখন নিচ্ছে ২ কেজি। কারণ সে নিম্ন আয়ের মানুষ। তারপরেও টানাটানির মধ্যে চলছি আমরা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর