শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট: লেনদেনে সমস্যা নেই সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিম তীর অবরুদ্ধ করার নির্দেশ নেতানিয়াহুর আবার‍ও কক্সবাজারে হোটেলে আগুন ভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা আব্বাস হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি ১২১৪ লিসবনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: বন্ধ কামোঁস মাধ্যমিক বিদ্যালয় অসুস্থ ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি পুলিশের জন্য ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ

স্বামীর হাতুড়ির আঘাতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০২৩
  • ১৪৬ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে স্বামীর হাতুড়ির আঘাতে সেলিনা বেগম (৩৮) নামে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার (৩০ জুলাই) গভীর রাত দুইটার সময় উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ঝগড়ারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় স্বামী ফয়েজ উদ্দিনের (৪২) হাতুড়ির আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ।

নিহত সেলিনা বেগম উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের টানকৃঞ্চনগর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে আর অভিযুক্ত স্বামী উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ঝগড়ারচর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত মুসলিম মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৩ বছর আগে উপজেলার টানকৃঞ্চ গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে সেলিনা বেগমের সঙ্গে কালিকাপ্রসাদ এলাকার মৃত মুসলিম মিয়ার ছেলে ফয়েজ উদ্দিনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে সেলিনার নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো।

গতকাল রবিবার রাত ১টার দিকে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ফয়েজ ঘরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করেন। পরে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেলিনার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই নাহিদ হোসেন বলেন সেলিনা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

আমার বোনের সঙ্গে তার স্বামীর প্রায়ই নানা বিষয়ে নিয়ে ঝগড়া হতো। ফয়েজ আমার বোনের কাছ থেকে প্রায়ই যৌতুকের টাকা দাবি করতো। এসব নিয়ে আগেও কয়েকবার ঝগড়ায় বোনের মাথা ফাটিয়ে দেয়। রবিবার রাতেও যৌতুকের টাকা চাওয়া নিয়ে তাদের মধ্য বাগবিতণ্ডা হয়। তার জেরেই হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে আমার বোনকে মেরে ফেলে।

১৭ বছরের নিহত সেলিনার ছেলে জীবন আহমেদ বলেন, আমি ঢাকায় একটি জুতার কারখানায় কাজ করি। রাতে বাবা আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তোর মা মারা গেছে। এই খবর পেয়ে আজ ভোরে ঢাকা থেকে ভৈরবে এসে মাকে মৃত দেখতে পাই। আমার বাবা প্রায়ই মাকে নির্যাতন করতো। আমাকে লেখাপড়া না করিয়ে ঢাকায় জুতার কারখানায় কাজে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন আগেও মাকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর