শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করছে কি না, প্রশ্ন আবদুস সালামের রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি থানায় জিডি নেপালে আরও ২ হ্রদে জমছে পানি, নতুন করে বন্যার ঝুঁকি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারবে বাংলাদেশের আরও ৩১২ এজেন্সি রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় সব তথ্যই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে: আরপিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু নেপালের বন্যায় আনুমানিক ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত : রেড ক্রস নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ‘বাবাকে নির্লজ্জভাবে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে’: ইমরান খানের ছেলেদের সাক্ষাৎকারে তোলপাড়

প্রতীকী ফাঁসি নিলেন প্রাথমিকের তৃতীয় ধাপে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৫ টাইম ভিউ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বাতিল হওয়া নিয়োগ ফিরে পাওয়ার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতীকী ফাঁসি কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত ব্যক্তিরা। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তারা জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, প্রতীকী ফাঁসি কর্মসূচিতে ছয়জন আন্দোলনকারী অংশ নেন। যদি তাদের দাবি মেনে না নেওয়া হয়, তবে তারা প্রতীকী নয়, ফাঁসির মাধ্যমে আত্মাহুতি দেবেন। প্রায় এক ঘণ্টা তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে সাড়ে বিকেল ৪টার দিকে র‍্যালি নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান তাঁরা।

আন্দোলনকারীদের একজন আসাদুজ্জামান বলেন, টানা ২৪তম দিনের মতো তারা আন্দোলন করছেন। তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় আজ প্রতীকী ফাঁসি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে, দাবি মানা না হলে এটি আর প্রতীকী কর্মসূচি থাকবে না। তারা ফাঁসির মাধ্যমে আত্মাহুতি দেবেন।তিন ধাপে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তৃতীয় ধাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

২০২৩ সালের ১৪ জুন তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত বছরের ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশিত হয়। এতে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ হন।নিয়োগবঞ্চিত কয়েকজন রিট করলে ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফলাফল ও নিয়োগপত্র প্রদান-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট চূড়ান্ত ফলাফল ও নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর