মেলবোর্নে ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার হ্যারি সুটারকে দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের বক্সে স্রেফ দাঁড়িয়ে থেকে আর সবার মাথার ওপর থেকে বলে মাথা ছোঁয়াতে। ম্যাচে কর্নার থেকে প্রথম গোলটিও করেছিলেন লিস্টার সিটির এই ডিফেন্ডার। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় আজ অস্ট্রেলিয়া যেমনই খেলুক, ‘সেট পিস’ পরিস্থিতিতে সকারুরা গোলের সুযোগ যে খুঁজবে, তা নিশ্চিত। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরাকেও মনে হলো নিরুপায়, ‘শুধু বাংলাদেশের বিপক্ষেই নয়, সেট পিসে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বেরই অন্যতম সেরা দল।
ওদের থামানো খুবই কঠিন। আমরা যেটি করতে পারি, যত কম সম্ভব তাদের ফ্রি কিক বা কর্নারগুলো দেওয়া।’ ঘরের মাঠ হলেও তাই রক্ষণ ভাবনাই আসলে বাংলাদেশের মূল। সেখানে এই ম্যাচের আগে কাবরেরার মনে স্বস্তি ফেরার কথা চোট কাটিয়ে তারিক কাজী দলে ফেরায়।
ফিনল্যান্ডের ফুটবলকাঠামোতে বেড়ে ওঠা তারিকের রক্ষণ-দৃঢ়তা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভালো পারফরম্যান্সগুলোতে অনেকটাই প্রভাব রেখেছে। যদিও আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচের আগে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। গত মার্চে চোটে পড়ার পর বসুন্ধরা কিংসের হয়ে মৌসুমের একেবারে শেষ ম্যাচে মাঠে ফিরেছেন। তবু কাবরেরা তাঁর ওপর আস্থা রাখছেন, ‘ও অনুশীলনে বেশ ভালো করছে।
কোনো সমস্যা বোধ করছে না। নতুন করে কোনো কিছু না হলে ওর খেলা নিয়ে তাই সমস্যা দেখছি না।’
মোরসালিনের দলে ফেরাটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। গত নভেম্বরে লেবাননের বিপক্ষে পয়েন্ট নেওয়া গেছে তাঁর গোলে। এরপর পায়ের পাতার চোটে লম্বা সময় ক্লাব ও জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি।
তবে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে মৌসুমের দ্বিতীয় ভাগে বেশ ভালোভাবেই ফিরেছেন তিনি। শেখ রাসেলের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে বক্সের বাইরে থেকে তাঁর ট্রেডমার্ক শটে গোলও উপহার দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার চাপ সামলে ওপরে মোরসালিনের পায়ে বল গেলে তাই আশা থাকবেই। যেমন ভরসা থাকবে রক্ষণে তারিকের ওপর।