বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

শান্তি পদযাত্রার সময় ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দীন গ্রেপ্তার

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ টাইম ভিউ
শান্তি পদযাত্রার সময় ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দীন গ্রেপ্তার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় বুধবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।জানা যায়, বুধবার সকালে গুলিস্তান স্টেডিয়ামের সামনে থেকে ঢাকা-টুঙ্গিপাড়া ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন অধ্যাপক আ ক ম জামাল। পরে সেই পদযাত্রায় অংশ নেন জামাল উদ্দিন। সেখান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছিলেন আ ক ম জামাল উদ্দিনসহ পাঁচজন। পুলিশ তখন জানিয়েছিল, ফেসবুকে ‘গণকান্নার’ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে গেলে ‘বিক্ষুব্ধ’ জনতা তাদের মারধর করে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। গত বছর ১১ ডিসেম্বর দুপুরে আ ক ম জামাল, জিনাত হুদাসহ কয়েকজন শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে যান। তাদের প্রবেশের খবরে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে জড়ো হন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

দুপুর ১টার দিকে ভবন থেকে বের হতেই ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়েরের নেতৃত্বে আ ক ম জামালকে ধাওয়া দেওয়া হয়। পরে তিনি দৌড়ে ভবনের নিচে রাস্তায় চলে যান। এ সময় সিঁড়িতে জামালকে ঝাপটে ধরে রাখার চেষ্টা করেন এবি জুবায়ের। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তিও হয়। ওই দিন জামাল উদ্দিনদের দৌড়ে পালানোর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ভিডিওতে জুবায়েরকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি যেতে পারবেন না। আপনি শিক্ষার্থীদের ব্রাশফায়ার করে মেলে ফেলার কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীদের খুন করার কথা বলছেন যারা, তারা কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে।’ এ সময় জুবায়ের উচ্চস্বরে সহপাঠীদের পুলিশকে কল করতে বলেন। এক পর্যায়ে দৌড়ে জামাল উদ্দিনরা তাদের সঙ্গে থাকা প্রাইভেট কারে উঠে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর