বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

সংলাপে বসতে আইনে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৯৩ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে আইনে যা আছে, বাস্তবে তা না মেনে কোনো সংলাপ হতে পারে না বলে মনে করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলের সঙ্গে সংলাপে বসতে আইনে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু কথা হচ্ছে, সংলাপ হতে হলে কিছু আইনি জিনিস যেগুলো বাস্তবে আছে সেগুলোকে মেনে সংলাপে আসতে হয়। সেগুলো না মানলে সংলাপ হয় না।রোববার (১৫ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।বাংলাদেশে একটি বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও সহিংসতামুক্ত জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে অর্থবহ সংলাপে বসতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল।

ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন প্রতিনিধিদলটি গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করে। পাঁচদিনের মিশন শেষে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকার, রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনসহ অংশীজনদের কাছে পাঁচটি সুপারিশ করেছে।

বিরোধীদের সাজা দিতে সেল করেছে সরকার। ‘গায়েবি’ মামলায় দ্রুত সাজা দিতে আইন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ শাখা খোলা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আইন মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ শাখা খোলা হয়েছে, যে শাখার কাজ হলো বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও গায়েবি মামলার তালিকা করে নির্দিষ্ট কিছু মামলার দ্রুত বিচার করে সাজা দিতে আদালতকে নির্দেশ দেওয়া।এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, দেখুন- আমি ওনাকে (ফখরুল) একজন ভদ্রলোক হিসেবে চিনি। ২০১৪ সালে যখন আমি প্রথম আইনমন্ত্রী হই, তখন থেকেই কিন্তু আমরা একটা সেল করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল মামলার জট কমানো। এখনো সেই সেলটা আছে। কিন্তু এটাকে কেউ যদি ভিন্ন খাতে নিয়ে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহারের স্বার্থে জনগণকে বিভ্রান্ত করেন, তবে আমার দুঃখিত হওয়া ছাড়া আর কিছু বলার নেই।খালেদা জিয়ার কিছু হলে প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করা হবে- বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আনিসুল হক বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে, যে যা খুশি তা-ই বলতে পারে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, দেশে একটা আইন আছে এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন আইনের গতিতে চলবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর